
নিউজার্সি, ৬ জুলাই – পুরো ম্যাচজুড়ে একের পর এক আক্রমণ চালিয়েও পরাজয় এড়াতে পারল না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। নরওয়ের গোলরক্ষক ওরইয়ান নাইল্যান্ডের তৈরি করা দুর্ভেদ্য দেয়াল ভাঙতে গিয়ে বারবার ব্যর্থ হন গুইমারেস ও এন্দ্রিকরা।
ম্যাচের শেষ ভাগে এসে দৃশ্যপটে হাজির হন ম্যানচেস্টার সিটি তারকা আর্লিং হালান্ড। মাত্র দশ মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে ব্রাজিলের হেক্সা জয়ের স্বপ্ন চূর্ণ করে দেন এই স্ট্রাইকার। অতিরিক্ত সময়ে নেইমার পেনাল্টি থেকে এক গোল পরিশোধ করলেও তা দলের হার এড়াতে যথেষ্ট ছিল না। ফলে ২-১ গোলের জয় নিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার গৌরবময় ইতিহাস গড়ল নরওয়ে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই লড়াইয়ে শুরু থেকেই ছিল চরম উত্তেজনা। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই প্যাটট্রিক বার্গ ব্রাজিলের জালে বল পাঠিয়েছিলেন তবে অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। এরপর দশম মিনিটে পেনাল্টি থেকে লিড নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পায় ব্রাজিল। ম্যাথিউস কুনহা ডি-বক্সে ফাউলের শিকার হলে ভিএআরের সাহায্যে পেনাল্টি দেন রেফারি। কিন্তু ব্রুনো গুইমারেসের নেওয়া শটটি বীরত্বের সাথে প্রতিহত করেন নরওয়েজিয়ান গোলরক্ষক নাইল্যান্ড।
প্রথমার্ধের বাকি সময় ব্রাজিল আক্রমণাত্মক খেললেও গোলের দেখা পায়নি।
দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান গড়তে মাঠে নামেন তরুণ তারকা এন্দ্রিক। ৫৮ মিনিটে ভিনিসিয়ুসের পাস থেকে পাওয়া সুযোগটি তিনি কাজে লাগাতে পারেননি। ম্যাচের ৬৭ মিনিটে মাঠে নামেন ব্রাজিলের অভিজ্ঞ তারকা নেইমার জুনিয়র। তবে ৭৯ মিনিটে হালান্ডের দর্শনীয় হেডে এগিয়ে যায় নরওয়ে।
৮৯ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া এক বুলেট গতির শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি পূর্ণ করেন হালান্ড। শেষ মুহূর্তে নেইমারের গোলটি কেবল ব্যবধানই কমিয়েছে।
এই পরাজয়ে শিরোপার দৌড় থেকে ছিটকে গেল লাতিন আমেরিকার ফুটবল পরাশক্তিরা।
এনএন/ ৬ জুলাই ২০২৬







