বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পালিত হচ্ছে ‘আন্তর্জাতিক ওভারডোজ সচেতনতা দিবস ২০২৬’। অসাবধানতাবশত বা অতিরিক্ত মাত্রায় ওষুধ ও মাদক গ্রহণের (ওভারডোজ) ফলে সৃষ্ট অকাল মৃত্যু রোধ এবং এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করাই এই দিবসের মূল লক্ষ্য।
চলতি বছরে দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে “টুগেদার উই কেন” (একসাথে আমরা পারি), যা ওভারডোজের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে এবং সমাজ থেকে এই সংকটের কলঙ্ক দূর করতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দেয়।
প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব ২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম এই দিবসের সূচনা হয়। বর্তমানে এটি বিশ্বব্যাপী মাদক ও অতিরিক্ত ওষুধ সেবনের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় বার্ষিক প্রচারাভিযান। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন, ব্যথানাশক ওষুধের অপব্যবহার এবং বিভিন্ন ক্ষতিকর মাদকের অতিরিক্ত মাত্রাই ওভারডোজের প্রধান কারণ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক সময়ে লক্ষণ চিনতে পারলে এবং জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা গেলে ওভারডোজের কারণে হওয়া অধিকাংশ মৃত্যুই রোধ করা সম্ভব।
এই দিবসটি মূলত ভুক্তভোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে এবং আসক্তিকে অপরাধ হিসেবে না দেখে একটি চিকিৎসাযোগ্য ব্যাধি হিসেবে বিবেচনা করতে সমাজকে আহ্বান জানায়।
