
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর – দেশের ক্রিকেটকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে এবং ঘরোয়া পাইপলাইনকে টেকসই করতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এবার শুধু গতি বা শুধু ঘূর্ণি নয়—সব ধরনের বোলিং প্রতিভাকে এক সুতোয় বাঁধতে শুরু হতে যাচ্ছে জাতীয় পর্যায়ের সর্ববৃহৎ ‘বোলার হান্ট’।
মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এক জমকালো সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই মেগা ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হতে যাচ্ছে। এই কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে থাকছে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিকম প্রতিষ্ঠান ‘রবি’ (Robi) এবং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল।
নতুন ফরম্যাটের বৈশিষ্ট্য ও মূল লক্ষ্য
অতীতে ‘গ্রামীণফোন পেসার হান্ট’ থেকে রুবেল হোসেন কিংবা ‘রবি পেসার হান্ট’ থেকে টেস্ট সেনসেশন ইবাদত হোসেনের মতো পেস অলটারনেটিভ তৈরি হয়েছিল। তবে এবার সেই ধারণাকে আরও বিস্তৃত করছে ইসি।
সব ধরনের বোলারের সমান সুযোগ: এবার পেসার কিংবা স্পিনার—এমন আলাদা কোনো শ্রেণি থাকছে না। লেগ স্পিন, অফ স্পিন, পেস কিংবা রহস্যময় স্পিন—যে কোনো ধারার বোলিং প্রতিভাবান তরুণরা নিজেদের তুলে ধরতে পারবেন।
তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণ: দেশের বিভিন্ন প্রান্তের যেসব উদীয়মান খেলোয়াড় সঠিক সুযোগ ও পরিচর্যার অভাবে আড়ালে থেকে যান, তাদের জাতীয় প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করাই এর প্রধান লক্ষ্য।
পাইপলাইন শক্তিশালীকরণ: বয়সভিত্তিক ও জাতীয় দলের জন্য দীর্ঘমেয়াদি বিকল্প তৈরি করতে এই প্ল্যাটফর্মকে একটি প্রধান চ্যানেল হিসেবে দেখছে বিসিবি।
কেন এই ‘বোলার হান্ট’ গেমচেঞ্জার হতে পারে?
বাংলাদেশি ক্রিকেটে পেস ও স্পিন—দুই বিভাগেরই রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের চরম ব্যস্ত শিডিউলে খেলোয়াড়দের ইনজুরি ও স্কোয়াড রোটেশন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিসিবির এই একীভূত উদ্যোগের মাধ্যমে কেবল নতুন মুখ খুঁজে নেওয়া হবে না, বরং তাদের ক্রিকেট অ্যাকাডেমির অধীনে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ ও গ্রুমিংয়ের মধ্যে রাখা হবে।
মঙ্গলবার বিকালের বিসিবির অফিশিয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ের পরেই জানা যাবে কিভাবে এবং কতটি অঞ্চলে এই নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন দেশের তরুণ বোলাররা।
এনএন/ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

