আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বলছেন, নীতিমালাটি যথাযথ না হওয়ায় এবং জবাবদিহির ঘাটতি থাকায় সরকার এ বিষয়ে আইন তৈরির পথে এগোচ্ছে। আইন পাস হলে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড), অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইজেড) ও হাইটেক পার্কগুলোতে শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় আমানত সংগ্রহ করা সহজ হবে।
আবার স্বল্প মেয়াদে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঋণও দেওয়া যাবে। এ ছাড়া ঋণপত্র (এলসি) খোলা ও গ্যারান্টি–সুবিধা; বিল বাট্টাকরণ (ডিসকাউন্টিং); বিল সমন্বয়করণ (নেগোশিয়েটিং) এবং অন্যান্য বৈদেশিক বাণিজ্য–সম্পর্কিত বহির্লেনদেন সেবা দিতে পারবে অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটগুলো। এমনকি তারা মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন–সুবিধাও দিতে পারবে। সে ক্ষেত্রে আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি নিতে হবে।
খসড়ায় বলা হয়েছে, অফশোর ব্যাংকিং করতে ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করতে হবে। বর্তমানে যেসব ব্যাংক অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট পরিচালনা করছে, তাদের নতুন করে আবেদন করতে হবে না। লাইসেন্স পাওয়ার ছয় মাসের মধ্যে অফশোর ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু করতে হবে। তা না হলে লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ অনুমোদনে অভ্যন্তরীণ ইউনিট থেকে অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটে তহবিল স্থানান্তর করা যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক সময়-সময় অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের সব তথ্য পরীক্ষা করতে পারবে।



