স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মাটি কাটা নিয়ে পাউবো কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেয় না। প্রশাসন মাঝেমধ্যে অভিযান চালায়। উজান থেকে (ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য) পাহাড়ি ঢল নেমে নদীতে পানি বাড়লে এই সেতু টেকানো কঠিন হবে। তখন নদীর এপারের সঙ্গে ওপারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশংকা রয়েছে।
পাউবো সূত্রে জানা গেছে, ষাটের দশকে কুমিল্লা শহর ও আশপাশের উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা রক্ষার জন্য গোমতী নদীতে বাঁধ দেওয়া হয়। গোমতী নদীর বাম বাঁধের দৈর্ঘ্য ৭৬ দশমিক ৩ কিলোমিটার ও ডান বাঁধের দৈর্ঘ্য ৬৫ কিলোমিটার। বাঁধের উপরে পাকা সড়ক। এই বাঁধের উপর দিয়ে যানবাহন চলাচল করে। নদীর দুই কূলের বাঁধের অন্তত ৩০টি স্থানে বাঁধের পাড় কাটা আছে ট্রাক্টর ওঠানামার জন্য। এতে বাঁধ ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কোথাও কোথাও সড়ক ভেঙে পড়েছে। কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার আমড়াতলি ইউনিয়নের বানাসুয়া এলাকায় নদীর পাড় ও চরের ফসলি জমি থেকে ট্রাক্টর নিয়ে অবাধে মাটি কাটতে দেখা গেছে। একই উপজেলার আমতলি পালপাড়া বড় বাড়ি, দুর্গাপুর, আড়াইওড়া, ছত্রখিল, বুড়িচং উপজেলার বাবু বাজার, শিমাইলখাড়া, গোবিন্দপুর এলাকাজুড়ে চলছে অবাধে মাটি কাটা।
এর আগে আদর্শ সদর উপজেলার আমতলি এলাকায় গোমতী নদীর বাঁধের ভেতরে মাটি কাটার কারণে বৈদ্যুতিক খুঁটি পড়ে যায়। নদীর উত্তর অংশে বুড়িচং উপজেলার কামারখাড়া এলাকায় সেতুর পূর্বপাশে বাঁধের ভেতরে একাশিয়া, মেহগনিগাছের বাগান। বাগানের দক্ষিণ পাশে গা ঘেঁষে নদী। ওই অংশে নদীর বাঁধের ভেতর থেকে মাটি কেটে এখন রীতিমতো পুকুর বানানো হয়েছে।



