মেরামেরির ঘর কি জানেন

মেরামেরির ঘর কি জানেন

শহর থেকে সবাই শীত উদযাপন করতে শত কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে গ্রামে এসেছেন। আমার প্রস্তাবে কেউ কেউ কপাল কোঁচকাল। কিন্তু আমি আর মামা, রাত ১২টায় দা আর করাত নিয়ে বাঁশঝাড়ে চলে গেলাম। মাঝরাত্তিরে আমাদের পাগলামো দেখে বাঁশঝাড়ের ভূতেরাও বোধ হয় অবাক হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত একে একে সবাই ঘর থেকে বেরিয়ে এল।

নদীর পাড়ে রাত জেগে এক ঘণ্টায়ই তৈরি করে ফেললাম মেরামেরির ঘর। বিভিন্ন এলাকায় এর বিভিন্ন নাম। কেউ বলেন বুড়ির ঘর, কেউ বলেন নাড়ার ঘর, আবার কেউ বলেন বেড়াবেড়ির ঘর। মহাভারত–এও নাকি আছে মেরামেরি ঘরের উল্লেখ।

মহাভারত–এর অনন্য চরিত্র ভীষ্মের ছিল ইচ্ছামৃত্যুর শক্তি। উত্তরায়ণ আসার আগে শরশয্যায় ৫৮ দিন কাটিয়ে পৌষসংক্রান্তিতে তিনি দেহত্যাগ করেন। তাঁর স্মরণেই নাকি তৈরি হয় মেরামেরি ঘর।

Scroll to Top