গতকাল গণহত্যা মামলার শুনানিতে দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকোর্টের আইনজীবী তেম্বেকা এনকুকাইতোবি বলেন, ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে গণহত্যার উপাদান পাওয়া গেছে। এসব উপাদান থেকে এটা স্পষ্ট যে গাজাকে গুঁড়িয়ে দিতে ইসরায়েলের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে পরিকল্পনা করা হয়েছে।
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিনিধিত্বকারী আদিলা হাশিম বলেন, প্রতিদিন ফিলিস্তিনি জনগণের জীবন, সম্পদ, মর্যাদা ও মানবিকতার অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে। আদালতের একটি রায় ছাড়া, তাঁদের দুর্ভোগের অবসান হবে না।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল শুনানি শুরুর আগে ইসরায়েলি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আইসিজেতে তথ্য–উপাত্ত জমা দেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। আদালতে ওই সব তথ্য–উপাত্ত উপস্থাপন করে দক্ষিণ আফ্রিকা বলেছে, ইসরায়েলের পদক্ষেপে এটা স্পষ্ট, ফিলিস্তিনি জাতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ ধ্বংসের উদ্দেশ্যে ওই তৎপরতা চালানো হয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিচারমন্ত্রী রোনাল্ড লামোলা বলেন, কোনো হামলাই গণহত্যা সনদ লঙ্ঘনের সাফাই দিতে পারে না।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘের ১৯৪৮ সালের গণহত্যা সনদে স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর অন্যতম ইসরায়েল। জাতিসংঘের ওই সনদে যেসব দেশ সই করেছে তাদের গণহত্যা প্রতিহত করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।


