এই জোট আরও বলেছে, নির্বাচনের দিন ভুয়া তথ্য ছড়ানো ও অপপ্রচার বন্ধের জন্য গত নভেম্বরে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে ফেসবুক বন্ধের প্রস্তাব দেওয়া হয়। ঘৃণা ছড়ানো, অপপ্রচার এবং ভুল তথ্য সারা বিশ্বেই গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে। কিন্তু এর জন্য বহুল ব্যবহৃত যোগাযোগমাধ্যমে প্রবেশ বন্ধ করা কাম্য নয়। বরং জবাবদিহিতা এবং আধেয়ের বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে এসব মাধ্যমগুলোর সঙ্গে কাজ করতে হবে।
নির্বাচনের সময় ইন্টারনেট এবং ডিজিটাল যোগাযোগব্যবস্থা সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের দ্রুত সঠিক তথ্য মানুষকে জানাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইন্টারনেট পরিষেবায় বাধা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে হুমকিতে ফেলে।
ইন্টারনেট বন্ধ করা হলে মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ মানুষের জীবিকা ও পুরো অর্থনীতিতে নেতিবাচকভাবে প্রভাব ফেলে। ইন্টারনেট বন্ধ করা আন্তর্জাতিক আইনেরও লঙ্ঘন বলে এই জোট জানিয়েছে। এ ছাড়া ইন্টারনেট পরিষেবা নিশ্চিতে টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি এবং সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বও রয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রধান নির্বাচন কমিশনার সম্প্রতি জানিয়েছেন ভোটের দিন ইন্টারনেট ধীরগতি হবে না। কিপইটঅন জোট নির্বাচন কমিশনের এই বক্তব্যকে আমলে নিয়ে বলেছে, নির্বাচনের প্রাক এবং ভোট-পরবর্তী সময়েও যেন এই প্রতিশ্রুতি বজায় থাকে।



