অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়কে বড় সাফল্য মানছেন শান্ত – DesheBideshe



ঢাকা, ১৬ আগস্ট – অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের পর বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর কণ্ঠে ঝরেছে গর্ব ও তৃপ্তির কথা। তার মতে, এই জয় কেবল একটি ম্যাচের ফলাফল নয় বরং বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের মানসিকতায় আসা বড় পরিবর্তনের প্রতিফলন।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শান্ত জানান, দলের পারফরম্যান্সে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। ক্রিকেটারদের কঠোর পরিশ্রমের ফলেই এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। অধিনায়কের দৃষ্টিতে এই জয়ের পেছনে প্রধান প্রভাবক ছিল পেসারদের দুর্দান্ত নৈপুণ্য।

একসময় বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের মূল শক্তি স্পিন হলেও সেই ধারায় পরিবর্তন এসেছে বলে তিনি মনে করেন। পেসারদের দীর্ঘ ফরম্যাটের ক্রিকেটে খেলার আগ্রহ এবং বিশ্বমানের হওয়ার লক্ষ্যকে তিনি সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখছেন। শান্তর মতে, পাঁচ বছর আগেও পেসারদের মধ্যে টেস্ট খেলার এমন আগ্রহ ছিল না।

এখন তারা এই ফরম্যাটকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। এই যাত্রায় মুশফিকুর রহিম ও মুমিনুল হকের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা তরুণদের প্রতিনিয়ত উৎসাহ যুগিয়েছেন। ব্যাট হাতে ডারউইন টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০১ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন তানজিদ হাসান তামিম।

সাধারণত আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করলেও এই ম্যাচে তানজিদের সংযত ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করেন শান্ত। তিনি জানান, পরিস্থিতির চাহিদা বুঝে ব্যাটিং করার ক্ষমতা তানজিদের বিশেষ দক্ষতা। সামগ্রিকভাবে এই জয়কে সব ফরম্যাট মিলিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটের শ্রেষ্ঠ অর্জন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদের হারিয়ে দেওয়াকে বিশেষ মর্যাদার চোখে দেখছেন অধিনায়ক। তবে এই সাফল্য নিয়ে বসে থাকতে চান না শান্ত। সামনে ম্যাকেতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পরবর্তী টেস্টে এই আত্মবিশ্বাসকে কাজে লাগাতে চান তিনি।

পরবর্তী ম্যাচে টানা পাঁচ দিন ভালো ক্রিকেট খেলা এবং সেশন ধরে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। নিচের সারির ব্যাটারদের অবদান রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ডারউইনের জয়কে ধারাবাহিকতায় রূপ দেওয়াই এখন বাংলাদেশের পরবর্তী লক্ষ্য।

এস এম/ ১৬ আগস্ট ২০২৬



Scroll to Top