চোট যন্ত্রণার কথা মাথায় রেখেই নেইমারকে বিশ্বকাপ দলে নিয়েছে ব্রাজিল। যেই যন্ত্রণা দিনকে দিন বাড়ছে! চোটের কারণে বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারেননি ব্রাজিলের নাম্বার টেন। এবার জানা যাচ্ছে, নেইমারকে গ্রুপ পর্বের পরের দুই ম্যাচে পাওয়া নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে করে টুর্নামেন্টে তার অংশগ্রহণ নিয়েই তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা।
বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এরপর আশা করা হয়েছিল দ্রুত সুস্থ হয়ে দলে ফিরবেন নেইমার। তবে সর্বশেষ তথ্য বলছে, গ্রুপ পর্বে তাকে আর মাঠে দেখা যাবে না।
গত ১৭ মে ক্লাব দল সান্তোসের হয়ে খেলতে গিয়ে পায়ের পেশিতে চোট পান ৩৪ বছর বয়সী নেইমার। এরপর চিকিৎসা ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেলেও এখনো পুরোপুরি সুস্থ হতে পারেননি তিনি। ব্রাজিল দলের ক্যাম্পে যোগ দিলেও সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলনে অংশ নিতে পারেননি।
ইএসপিএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলের পরবর্তী দুই ম্যাচ—হাইতি ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষেও মাঠে নামতে পারবেন না নেইমার। তাকে নকআউটের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে যদি ব্রাজিল আগেভাগেই বাদ পরে যায় তাহলে তো বিশ্বকাপে থেকেও বিশ্বকাপ খেলা হবে না নেইমারের!
সাম্প্রতিক সময়ে নেইমারের শারীরিক অবস্থা বুঝতে নতুন করে মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেনি। এ কারণে তার চোটের প্রকৃত অবস্থা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি।
সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, সোমবার অনুশীলনে ফেরার কথা থাকলেও মাঠে না গিয়ে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে যেতে হয়েছে নেইমারকে। দলের চিকিৎসক ও ফিটনেস বিশেষজ্ঞরা নকআউট পর্বের আগে নেইমারকে শতভাগ ফিট করে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচের আগে ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তিও নেইমারের দ্রুত প্রত্যাবর্তনের আশা প্রকাশ করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, দলের এই তারকা ফুটবলার দ্রুত সুস্থ হওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম করছেন এবং তাকে যত দ্রুত সম্ভব দলে ফেরানোর চেষ্টা চলছে।




