৯৯৯–এর গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, শব্দদূষণের মধ্যে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো রয়েছে। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এসেছে গতকাল রাত ১০টা থেকে পরদিন ভোর ৪-৫টা পর্যন্ত।
এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, অবহিত করার পর সংশ্লিষ্ট থানা থেকে ঘটনাস্থলে গিয়ে গানবাজনা থামানো হয়েছে বা আতশবাজি ও পটকা ফোটানো বন্ধ করা হয়েছে। আর গতকাল দুপুর পর্যন্ত অভিযোগগুলো ছিল উচ্চ শব্দে গান বাজানোর।
বর্ষবরণের আগে এবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে অনুরোধ জানাতে থাকেন সীমিত আকারে আনন্দ-উৎসব করার জন্য। ২০২২ বর্ষবরণের সময় তানজিম উমায়ের নামে চার মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনাটিকেও উদাহরণ হিসেবে টানেন অনেকে।
ওই সময় উমায়েরের বাবা ইউসুফ রায়হান জানিয়েছিলেন, জন্মগতভাবে তাঁর ছেলের হৃদ্যন্ত্রে ছিদ্র ছিল। ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর শব্দে বারবার তাঁর সন্তান কেঁপে ওঠে। সারা রাত ঘুমাতে পারেনি।
ইউসুফ বলেন, পরদিন সকালে শ্বাসকষ্ট শুরু হলে রাজধানীর মিরপুরের ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে নিয়ে যাওয়ার তিন ঘণ্টা পর উমায়ের মারা যায়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন, পটকা-আতশবাজির সঙ্গে শিশুটির অসুস্থতার সরাসরি সম্পর্ক না থাকলেও যেকোনো শব্দ বা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি অসুস্থ কাউকে আরও বেশি অসুস্থ করে ফেলতে পারে।



