যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা জটিলতায় ইরানের বিশ্বকাপ প্রতিনিধিদল – DesheBideshe

যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা জটিলতায় ইরানের বিশ্বকাপ প্রতিনিধিদল – DesheBideshe


যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা জটিলতায় ইরানের বিশ্বকাপ প্রতিনিধিদল – DesheBideshe

তেহরান, ১৪ জুন – বিশ্বজুড়ে ফিফা বিশ্বকাপের আমেজ বিরাজ করলেও বড় ধরনের ভিসা জটিলতায় পড়েছে ইরানের প্রতিনিধিদল। যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে অংশ নিতে গিয়ে দেশটির কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা এবং সহায়ক স্টাফ এখনো ভিসা না পাওয়ায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ইরান ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে যে প্রাথমিকভাবে ভিসা না পাওয়া ১৫ জন প্রতিনিধির মধ্যে কয়েকজন পুনরায় আবেদন করেছিলেন। আপিলের পর চারজন ভিসা পেলেও বাকি ১১ জন এখনো যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পাননি। ভিসা পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন একজন টেকনিক্যাল বিশ্লেষক এবং ফেডারেশনের আন্তর্জাতিক বিভাগের দুইজন কর্মকর্তা।

তবে পুনরায় আবেদন করেও ভিসা পাননি ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজ। এছাড়া একজন সহ সভাপতি, দুইজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং মিডিয়া ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্যের আবেদন মঞ্জুর হয়নি।

গত সপ্তাহে ইরান অভিযোগ করেছিল যে জাতীয় দলের ব্যাকরুম স্টাফদের ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও ওয়াশিংটন জানিয়েছে যে খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বিদ্যমান রাজনৈতিক উত্তেজনা ও নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে ইরান তাদের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শিবির যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তে মেক্সিকোতে স্থানান্তর করেছে।

সেখান থেকেই দলের কর্মকর্তারা নতুন করে ভিসার আবেদন করেন। সূচি অনুযায়ী আগামী ১৫ জুন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ইরানের বিশ্বকাপ মিশন শুরু হবে। এরপর ২১ জুন বেলজিয়াম এবং ২৬ জুন মিশরের মুখোমুখি হবে তারা।

এদিকে ইরানি সমর্থকদের জন্য বরাদ্দ করা টিকিট কোটা বাতিলের সিদ্ধান্তে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। যদিও ফিফা জানিয়েছে যে তারা ইরানি সমর্থকদের মাঠে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। এর আগে ইরান ফুটবল ফেডারেশন ফিফার কাছে ১০ দফা দাবি পেশ করেছিল।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্পষ্ট করেছেন যে খেলোয়াড়দের স্বাগত জানানো হলেও বিতর্কিত সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকতে পারে। এই পরিস্থিতির সমালোচনা করেছেন সাবেক ফিফা সভাপতি সেপ ব্ল্যাটার। তিনি জানান যে আয়োজক দেশের দায়িত্ব হলো সব দল ও কর্মকর্তাদের অবাধ প্রবেশ নিশ্চিত করা। এই ঘটনা ফুটবলের সার্বজনীন চেতনার পরিপন্থী বলে তিনি মনে করেন।

এস এম/ ১৪ জুন ২০২৬



Scroll to Top