অটোয়া, ৩ এপ্রিল – ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই বিশ্বের সেরা দলগুলোর মহারণ। প্রতিটি ফুটবলপ্রেমী চায় তার প্রিয় দলকে এই বৈশ্বিক মঞ্চে দেখতে। কিন্তু ফিফার ২১১টি সদস্য দেশের অনেকের কাছেই সেই স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়। তবে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে বড় পরিবর্তন এসেছে। কানাডা মেক্সিকো এবং যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আয়োজনে এবার বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে ৪৮টি দল নিয়ে। ফলে আগে যারা সুযোগ পেত না তাদের জন্য খুলে গেছে নতুন সম্ভাবনার দরজা। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে চারটি নতুন দেশ প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে।
দলগুলো হলো কেপ ভার্দে কুরাসাও জর্ডান এবং উজবেকিস্তান। এই চার দলই এখন বিশ্ব ফুটবলের নতুন গল্প লিখতে প্রস্তুত। আফ্রিকার পশ্চিম উপকূলের কাছে অবস্থিত দ্বীপ রাষ্ট্র কেপ ভার্দে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে। মাত্র পাঁচ লাখের কিছু বেশি জনসংখ্যার দেশটি আফ্রিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে গ্রুপের শীর্ষে উঠে আসে। বিশ্বকাপে তারা স্পেন উরুগুয়ে এবং সৌদি আরবের মতো কঠিন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ জর্ডান দীর্ঘদিন ধরেই ফুটবলে উন্নতির চেষ্টা করে আসছিল।
এশিয়ান কাপের সাফল্য তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয় এবং বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে তারা ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখিয়ে জায়গা নিশ্চিত করে। বিশ্বকাপে তাদের সামনে প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে আর্জেন্টিনা অস্ট্রিয়া ও আলজেরিয়া। ক্যারিবীয় দ্বীপ রাষ্ট্র কুরাসাও জনসংখ্যায় ছোট হলেও এবার বিশ্বকাপে জায়গা করে ইতিহাস গড়েছে। মাত্র দেড় লাখের কিছু বেশি মানুষের দেশটি বাছাইপর্বে দারুণ খেলে এই অর্জন করেছে।
বিশ্বকাপে তারা জার্মানি ইকুয়েডর ও আইভরি কোস্টের মতো দলের মোকাবিলা করবে। এদিকে মধ্য এশিয়ার দেশ উজবেকিস্তান বহু বছর ধরে বিশ্বকাপে ওঠার স্বপ্ন দেখছিল। বাছাইপর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে তারা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করে। দলের অন্যতম বড় শক্তি তাদের নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়রা যারা ইউরোপের বড় লিগগুলোতে নিজেদের প্রমাণ করতে শুরু করেছে। ২০২৬ বিশ্বকাপ শুধু বড় দলগুলোর লড়াই নয় বরং নতুন এই দলগুলোর ইতিহাস লেখার মঞ্চও হতে যাচ্ছে।
এস এম/ ৩ এপ্রিল ২০২৬






