সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রবাসী ও রপ্তানি আয় কিনতে ডলারের দাম হবে সর্বোচ্চ ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা; আগে যা ছিল ১০৯ টাকা ৭৫ পয়সা। আর আমদানি দায় মেটাতে ডলারের দাম নেওয়া যাবে ১১০ টাকা, আগে যা ছিল ১১০ টাকা ২৫ পয়সা। প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রে সরকারের ২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রণোদনার পাশাপাশি ব্যাংকও সমপরিমাণ প্রণোদনা দিতে পারবে। ফলে প্রবাসী আয় পাঠালে ডলারপ্রতি সর্বোচ্চ ১১৫ টাকা পাবেন উপকারভোগীরা।
ডলারের জোগান ও চাহিদার ওপর নির্ভর করে সময় সময় বাফেদা ও এবিবি ডলারের বিনিময় হার নির্ধারণ করে আসছে। এ দুটি সংগঠন মূলত বাণিজ্যিক ব্যাংক–সংশ্লিষ্ট। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শে তারা সময় সময় ডলারের দাম নির্ধারণের দায়িত্ব পালন করছে।
সংগঠন দুটির নির্ধারিত দামে ডলার কেনাবেচা করছে না সব ব্যাংক। এখন যেসব ব্যাংক বেশি দাম দিচ্ছে, তারাই প্রবাসী আয়ের ডলার বেশি কিনতে পারছে। প্রবাসী আয় সংগ্রহে আজও ১২৩ টাকা দাম দিয়েছে রেমিট্যান্স হাউসগুলো। এর চেয়ে বেশি দামে তাদের থেকে প্রবাসী আয় কিনেছে দেশের ব্যাংকগুলো। ফলে আমদানিকারকদের এর চেয়ে বেশি দামে ডলার কিনতে হচ্ছে।





