পার্ক রক্ষায় নেই পর্যাপ্ত জনবল

পার্ক রক্ষায় নেই পর্যাপ্ত জনবল

গত শুক্রবার বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক ঘুরে দেখা গেছে, ইকোপার্কের ভেতরের পথ দিয়ে ইকোপার্ক-সংলগ্ন গ্রামের মানুষ চলাচল করছেন। ইকোপার্কের কড়ালি টিলা, হিরনের কুচি ও গোয়ালাবাড়ি এলাকায় ইউক্যালিপটাস, অ্যাকাশিয়া, বিস্তীর্ণ শাল বনসহ চেনা-অচেনা বুনো গাছের নিবিড়তা আছে। হিরনের কুচি এলাকায় অনেকগুলো মরা আকাশমণি দেখা গেছে। মাঝেমধ্যে এক ফুট, দু-তিন ফুট উঁচু গাছের গোড়া পড়ে আছে। কিছু গাছের কাটা অংশে বন বিভাগের নম্বর দেওয়া। পুরোনো মুথাও কিছু আছে। পর্যবেক্ষণ টাওয়ারে ওঠার লোহার সিঁড়ি ভেঙে আছে।

বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ফরেস্টার বর্ষিজোড়া ইকোপার্কের বিট কর্মকর্তা আবু নঈম মো. নুরুন্নবী গত শুক্রবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘জনবল বাড়ানো দরকার। তিনজন স্টাফের পক্ষে এত বড় এলাকা কাভার সম্ভব হয় না। চারদিকে জনবসতি। সীমানাপ্রাচীর নেই। পার্কের ভেতর দিয়ে সড়ক। রাত-দিন মানুষ যাতায়াত করেন। বিকল্প পথ প্রয়োজন।’

বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ সিলেটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘ইকোপার্ক নিয়ে লং টার্ম পরিকল্পনা দরকার। আমরা একটা পরিকল্পনা জমা দিয়েছিলাম। সেই আলোকে একটা মাস্টারপ্ল্যান নেওয়া হচ্ছে।’

Scroll to Top