আহত কানোয়ার হোসেনের খালা (মায়ের বোন) সালমা খাতুন সাংবাদিকদের বলেন, ‘গ্রাম থেকে শহরে পড়াশোনা করতে পাঠিয়েছি, ছেলের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য। কানোয়ার সক্রিয় রাজনীতি করে না। ক্যাম্পাসে যদি ছাত্রদের নিরাপত্তা না থাকে, তাহলে লেখাপড়া করবে কেমনে? এভাবে কেউ কাউকে পেটাতে পারে? এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার চাই।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মী রবিউল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘কানোয়ার ক্যাম্পাসে আসলে ছাত্রদল করে কি না, জিজ্ঞাসা করলে হ্যাঁ বলে, তখন আমি তাকে একটি চড় মেরে চলে যাই। এরপর কারা কীভাবে মেরেছ, জানি না।’
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সালাউদ্দিন কবির বলেন, এমএম কলেজে বর্তমানে ছাত্রলীগের কমিটি নেই। ছাত্রদলের কোনো কর্মীকে ছাত্রলীগের কোনো নেতা-কর্মী মারধর করেনি। তাদের অভিযোগ মিথ্যা।




