জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের ওয়েবসাইট খুঁজে কোথাও পেলাম না যে পাঠ্যপুস্তক কোন প্রক্রিয়ায় লেখালেখি, মূল্যায়ন করা হয়। তবে সেই মূল্যায়নে যে বড় ধরনের গলদ আছে, তা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোই স্পষ্ট বলে দিচ্ছে। তাদের সেই কাঠামোকে পুনর্মূল্যায়ন যে জরুরি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এনসিটিবির কাঁধে এসব বিতর্ক নিয়ে প্রতিবছর কোটি কোটি বাচ্চার জন্য পাঠ্যপুস্তক তৈরি হচ্ছে, তবু তাদের ঘুম ভাঙছে না।
সরকারের উচিত হবে পাঠ্যপুস্তকের এই খাতটিকে সত্যিই গুরুত্ব দেওয়া। তাড়াহুড়া নয়, শক্তিশালী পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নপ্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে পাঠ্যপুস্তক শিশুদের হাতে তুলে দেওয়া। শুরুতেই যদি পাঠ্যপুস্তকের নৈতিকতা ভেঙে পড়ে, তাহলে কিনারায় পৌঁছাবে কী করে?
সাধারণ মানুষ পাঠ্যপুস্তক নিয়ে সরকারের খর্বাকৃতি চেহারা দেখতে চায় না, আমরাও চাই না। প্রতিবছর পাঠ্যপুস্তক পর্যালোচনা করে লেখকদের, এনসিটিবিকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হোক, সেটি সত্যিই আমরা মনেপ্রাণে চাই না। যেটুকু চাই, তা হলো একটি মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক বাচ্চারা পাক, যা পড়ে তারা বিশ্বমঞ্চের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকবে, দেশটাকে এগিয়ে নেবে।
● ড. নাদিম মাহমুদ গবেষক, ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়



