ইদানীং শেয়ারবাজারে অবশ্য বন্ধ কিছু কোম্পানিরই দাপট চলছে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এসব কোম্পানির শেয়ারের দাম। শেয়ারবাজারের সূচক গণনায়ও এই কোম্পানিগুলোকে হিসাবে ধরা হয়। ফলে কারসাজির মাধ্যমে কোম্পানিগুলোর শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে সূচকেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
এর বিপরীতে ফ্লোর প্রাইসের কারণে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স থেকে বাদ পড়েছে ভালো ভালো বেশ কিছু কোম্পানি। বর্তমানে ডিএসইএক্স সূচক গণনায় ধরা হচ্ছে ২৫০টি কোম্পানি। আর এ সূচকে অন্তর্ভুক্ত নেই ১০৬টি কোম্পানি। ফলে ডিএসইর প্রধান সূচকটি বিনিয়োগকারীদের একধরনের ভুল বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করেন পুঁজিবাজার বিশ্লেষকেরা।
ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ নভেম্বর খুলনা প্রিন্টিংয়ের শেয়ারের বাজারমূল্য ছিল ১২ টাকা ৮০ পয়সা। ওই দিন কোম্পানিটির শেয়ারের বাজার মূলধন ছিল ১০০ কোটি টাকারও কম। কিন্তু তিন মাস ধরে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে ১ ফেব্রুয়ারি এটির বাজার মূলধন বেড়ে হয়েছে ৩৩২ কোটি টাকার বেশি। কারসাজির মাধ্যমে শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে তিন মাসে এটির বাজার মূলধনও ২৩২ কোটি টাকার বেশি বেড়েছে, সূচক গণনায় বাড়তি এ বাজার মূলধন যুক্ত করা হচ্ছে।



