
ওয়াশিংটন, ১৮ জুলাই – নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচের মধ্য দিয়ে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের পর্দা নামছে। তবে টুর্নামেন্ট শেষ হতে চললেও ফিফার টিকিট বিক্রি সংক্রান্ত অনিয়মের তদন্ত থামছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির অ্যাটর্নি জেনারেল জেনিফার ডেভেনপোর্ট জানিয়েছেন, মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ৮টি ম্যাচের টিকিট বিক্রির পদ্ধতি নিয়ে তাদের অনুসন্ধান অব্যাহত থাকবে। গত মে মাসে নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমসের সঙ্গে যৌথভাবে এই তদন্ত শুরু করে নিউ জার্সি কর্তৃপক্ষ।
ফিফার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তারা টিকিট বিক্রির সময় অস্বাভাবিকভাবে দাম বাড়িয়েছে এবং পরবর্তীতে স্টেডিয়ামের আসন বিন্যাস পরিবর্তন করেছে। এছাড়াও কৃত্রিমভাবে টিকিটের সংকট তৈরি করার অভিযোগও আনা হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানান, শুরুতে ফিফা আসনগুলোকে চারটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছিল।
কিন্তু টিকিট বিক্রি সম্পন্ন হওয়ার পর নতুন করে বিশেষ জোন তৈরি করে সবচেয়ে ভালো আসনগুলো সেখানে সরিয়ে নেওয়া হয়। এর ফলে অনেক সমর্থক বেশি দাম দিয়ে টিকিট কিনলেও তাদের কাঙ্ক্ষিত বা সুবিধাজনক আসনে বসতে দেওয়া হয়নি।
এমন অভিযোগও সামনে এসেছে যে, অনেক দর্শক যে মানের আসনের জন্য অর্থ পরিশোধ করেছিলেন, বাস্তবে তারা সেই মানের আসন পাননি। কেবল নিউ জার্সি বা নিউ ইয়র্ক নয়, ক্যালিফোর্নিয়া ও টেক্সাস অঙ্গরাজ্যেও ফিফার বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগের তদন্ত চলছে।
এদিকে জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টের একটি আদালত ফিফার টিকিট রিসেল নীতিকে প্রতারণামূলক হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। আদালতের নির্দেশ অমান্য করলে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ও মহাসচিব ম্যাথিয়াস গ্রাফস্ট্রোমের বড় অংকের জরিমানা এমনকি কারাদণ্ড হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এস এম/ ১৮ জুলাই ২০২৬






