
ঢাকা, ৭ মে – ২০২৫ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসরে ক্রিকেটারসহ চার জনের বিরুদ্ধে ফিক্সিং ও দুর্নীতিতে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দীর্ঘ তদন্ত শেষে প্রস্তুত করা ৯০০ পৃষ্ঠার তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার এবং টিম ম্যানেজার লাবলুর রহমানসহ আরও দুই জন।
বিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আইসিসি দুর্নীতি বিরোধী বিধিমালা লঙ্ঘনের দায়ে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়, দলের কর্মকর্তা এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।বিসিবি ইনটেগ্রিটি ইউনিটের (বিসিবিআইইউ) মাধ্যমে পরিচালিত এই তদন্তে দুর্নীতির চেষ্টা, জুয়ায় সম্পৃক্ততা এবং তদন্ত কাজে অসহযোগিতার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠে এসেছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তিদের তালিকায় রয়েছেন টিম ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান। তার বিরুদ্ধে ড্যাকোর তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তথ্য প্রমান মুছে ফেলার অভিযোগ রয়েছে। ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এদিকে ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার এবং টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে সরাসরি ক্রিকেট ম্যাচে বাজি ধরা বা বাজিতে অংশগ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বর্তমানে অভিযুক্ত সকলকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ বা স্থগিত করা হয়েছে।
বিসিবি জানিয়েছে, তাদের অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তারা আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারবেন। পাশাপাশি বিপিএলের আগের আসরগুলোতে দুর্নীতির দায়ে সামিনুর রহমান নামে এক ব্যক্তিকে বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে দেখা গেছে, তিনি দেশি-বিদেশি বেটিং সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগসাজশে ম্যাচ সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিতে ভূমিকা রেখেছেন।
অভিযুক্ত সামিনুর রহমান ইতোমধ্যেই তার দোষ স্বীকার করে এই বহিষ্কারাদেশ মেনে নিয়েছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এনএন/ ৭ মে ২০২৬





