দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮২৮ জনে।
মঙ্গলবার ২৮ জুলাই সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টার তথ্য নিয়ে প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বুলেটিন অনুযায়ী, মোট মৃতদের মধ্যে ৯৫ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছিল। বাকি ৭৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে। বিভাগভিত্তিক হিসাবে হামের উপসর্গে সবচেয়ে বেশি ৩২০ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপর সিলেটে ১০৭ জন, রাজশাহীতে ৯১ জন, ময়মনসিংহে ৬৯ জন, চট্টগ্রামে ৫৯ জন, বরিশালে ৪৪ জন, খুলনায় ৩২ জন এবং রংপুর বিভাগে ১১ জন মারা গেছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১০৫ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৭৯৯ জন চিকিৎসা নিতে যান। তাদের মধ্যে ৭৮৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৩৩ জন, চট্টগ্রামে ২১৫ জন, বরিশালে ১৩০ জন, সিলেটে ৭৭ জন, ময়মনসিংহে ৪৫ জন, খুলনায় ৪৩ জন, রাজশাহীতে ৩১ জন এবং রংপুরে ১৩ জন রয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ৪৪১ জনে। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৪ হাজার ২৩৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। চলতি বছরের শুরু থেকেই দেশে হামের প্রকোপ দেখা দেয়। ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে রোগটি সারা দেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ১৫ মার্চ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাম-সংক্রান্ত পরিসংখ্যান ও তথ্য সংরক্ষণ শুরু করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, ২০০৫ সালে বাংলাদেশে ২৫ হাজারের বেশি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছিল।





