প্রবাসীদের সঙ্গে বিমানবন্দরে দুর্ব্যবহার কেন

প্রবাসীদের সঙ্গে বিমানবন্দরে দুর্ব্যবহার কেন

স্বজনেরা কোথায় অপেক্ষা করবেন, তা স্পষ্ট ও বহুভাষিক সাইনবোর্ডে জানাতে হবে। অস্পষ্টতা যত কমবে, ব্যক্তিগত নির্দেশের প্রয়োজন এবং সংঘাতের সম্ভাবনা তত কমবে।

দ্বিতীয়ত, প্রতিটি শারীরিক সংঘাতের নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তদন্ত হতে হবে। দোষ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

তৃতীয়ত, নিরাপত্তাকর্মীদের প্রশিক্ষণে তল্লাশির পাশাপাশি উত্তেজনা প্রশমনের কৌশল অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তাঁদের মূল্যায়নে শুধু নিরাপত্তা নয়, সৌজন্যমূলক আচরণকেও মাপকাঠি করা জরুরি।

শাহজালালের মতো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা অবশ্যই কঠোর হতে হবে, তবে তা যেন রূঢ়তায় রূপ না নেয়। নিরাপত্তাকর্মীকে বুঝতে হবে, তিনি ক্ষমতার মালিক নন, দায়িত্বের ধারক। আর নাগরিককেও বুঝতে হবে, নিয়ম মানা তাঁর দায়িত্ব।

ক্যানোপি-২-এর ঘটনাটি কেবল এক সাময়িক হাতাহাতি নয়, বরং এটি আমাদের প্রশাসনিক সংস্কৃতির এক বড় পরীক্ষা। সবাইকে বুঝতে হবে, সত্যিকারের আধুনিক বিমানবন্দরের পরিচয় নতুন ভবনে নয়, মানুষের ইতিবাচক আচরণে।

  • ড. সেলিম রেজা সহযোগী অধ্যাপক ও সমন্বয়ক, সেন্টার ফর মাইগ্রেশন স্টাডিজ, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি।

    * মতামত লেখকের নিজস্ব।

Scroll to Top