গোলরক্ষকের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়ে হাসপাতালে মারা গেলেন স্প্যানিশ ফুটবলার, তদন্ত শুরু – DesheBideshe

গোলরক্ষকের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়ে হাসপাতালে মারা গেলেন স্প্যানিশ ফুটবলার, তদন্ত শুরু – DesheBideshe


গোলরক্ষকের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়ে হাসপাতালে মারা গেলেন স্প্যানিশ ফুটবলার, তদন্ত শুরু – DesheBideshe
স্প্যানিশ ফুটবলার

মাদ্রিদ,০৪ নভেম্বর-ফুটবল ম্যাচ চলাকালে গোলরক্ষকের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন স্পেনের ক্লাব টেনেরিফের ফুটবলার হেসুস দে মিগেল। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর অনিচ্ছাকৃত হত্যার কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে স্প্যানিশ পুলিশ ও প্রসিকিউটররা।

গত সোমবার টেনেরিফে ও অ্যান্ডোরার মধ্যকার ম্যাচে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ম্যাচের শেষ দিকে দূর থেকে আসা বল ক্লিয়ার করতে নিজেদের ডি-বক্সের বাইরে ছুটে আসেন অ্যান্ডোরার গোলরক্ষক হেসুস ওওয়োনো। এ সময় টেনেরিফের ফুটবলার দে মিগেলের সঙ্গে তার সংঘর্ষ হয়। গোলরক্ষকের আঘাত সরাসরি দে মিগেলের বুকে লাগে।

ঘটনার পরপরই দে মিগেলকে স্থানীয় ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল অব নুয়েস্ত্রা সেনোরা দে কান্দেলিয়ারিয়ায় ভর্তি করা হয়। শুরুতে তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর হলেও স্থিতিশীল ছিল বলে জানিয়েছিল টেনেরিফে। তবে পরবর্তী সময়ে তার অবস্থার অবনতি হয় এবং শেষ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেন এই ফুটবলার।

মঙ্গলবার সকালে টেনেরিফে ও স্প্যানিশ ফুটবলারদের অ্যাসোসিয়েশন (এএফই) তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। ক্লাবটির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টায় আমাদের প্রিয় খেলোয়াড় হেসুস দে মিগেল আলামেদা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনা এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না।’

এদিকে, দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়া অ্যান্ডোরার গোলরক্ষক হেসুস ওওয়োনোও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বলে জানিয়েছে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম আএস। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ম্যাচ স্থগিত হওয়ার পর স্টেডিয়াম থেকে বের হওয়ার সময় কয়েকজন দর্শক তাকে লক্ষ্য করে ‘খুনি’ বলে স্লোগান দেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ম্যাচ শেষে ড্রেসিংরুমে ওওয়োনোকে কান্নাকাটি করতে এবং প্রার্থনা করতে দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তি ও সাইবার হয়রানির শিকার হওয়ার পর নিজের ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও বন্ধ করে দিয়েছেন তিনি।

আএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রকাশ্যে কোনো বক্তব্য দেওয়ার আগেই ওওয়োনো ব্যক্তিগতভাবে দে মিগেল ও তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। তিনি ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি এই কঠিন সময়ে পরিবারের পাশে থাকার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন।

গোলরক্ষকের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ওওয়োনো অত্যন্ত সহমর্মী একজন মানুষ। তার কোনো খারাপ উদ্দেশ্য ছিল না।

এদিকে, মাঠের এই মর্মান্তিক সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ এবং ফুটবলারের মৃত্যুর ঘটনায় কারও দায় রয়েছে কি না, তা নির্ধারণে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষ।

এস এম/ ০৪ নভেম্বর ২০২৬

Scroll to Top