কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে কেন্টের হয়ে দুর্দান্ত ছন্দ ধরে রেখেছেন বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ। ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে ম্যাচের দুই ইনিংসেই বল হাতে কার্যকর ভূমিকা রেখেছেন এই ডানহাতি পেসার। প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেটের পর দ্বিতীয় ইনিংসে আরও ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচে ৭টি উইকেট তুলে নিয়েছেন বাংলাদেশি তারকা।
ডার্বিশায়ারের দ্বিতীয় ইনিংসে আগের দিন একটি উইকেট নিয়েছিলেন হাসান। তৃতীয় দিনের খেলায় ফিরে আরও দুই ব্যাটারকে সাজঘরে পাঠান। দিনের শুরুতেই ৪৬ রান করা ম্যাথু মন্টগোমেরিকে ক্রিস বেঞ্জামিনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরান হাসান। এরপর ডার্বিশায়ারের অধিনায়ক ওয়েইন ম্যাডসেনকে আউট করেন তিনি।
দুর্দান্ত বোলিংয়ে ডার্বিশায়ারের ব্যাটিংয়ে চাপ তৈরি করলেও তাদের লোয়ার ও মিডল অর্ডার শেষ পর্যন্ত কেন্টের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। মার্টিন অ্যান্ডারসন, লুইস রিস ও ব্রুক গেস্টের অর্ধশতকে বড় সংগ্রহ পায় স্বাগতিকরা। ৮ উইকেটে ৩৫২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে ডার্বিশায়ার।
দ্বিতীয় ইনিংসে হাসানের বোলিং পরিসংখ্যানও ছিল নজরকাড়া। ১৬ ওভার বল করে তিনটি মেডেনসহ মাত্র ৩২ রান খরচ করেন তিনি। বিনিময়ে তুলে নেন ৩ উইকেট।
ম্যাচে বাংলাদেশের আরেক পেসার খালেদ আহমেদও বল হাতে অবদান রেখেছেন। দ্বিতীয় ইনিংসে কোনো উইকেট না পেলেও প্রথম ইনিংসে তার শিকার ছিল ৩ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮.৪ ওভার বল করে তিনটি মেডেনসহ ৬৪ রান দেন তিনি। ফলে ম্যাচে হাসান ও খালেদের সম্মিলিত উইকেট দাঁড়িয়েছে ১০টি।
এর আগে প্রথম ইনিংসে ডার্বিশায়ার ৩০০ রানে অলআউট হওয়ার পর কেন্ট ২১৯ রানে গুটিয়ে যায়। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৫২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে ডার্বিশায়ার। জবাবে বৃষ্টির কারণে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগে কেন্ট মাত্র ১.৩ ওভার ব্যাট করার সুযোগ পায়। কোনো উইকেট না হারিয়ে তাদের সংগ্রহ ৩ রান।
এখন ম্যাচের শেষ দিনে কেন্টের সামনে জয়ের জন্য প্রয়োজন ৪৩০ রান। বাংলাদেশের দুই পেসারের দারুণ বোলিংয়ে লড়াইয়ের ভিত তৈরি হলেও জয় পেতে হলে শেষ দিনে মূল দায়িত্ব নিতে হবে কেন্টের ব্যাটারদের।
