আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রানে থেমেছে বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান তামিম, শাদমান ইসলাম ও লিটন দাসের তিন অর্ধশতকে বড় স্কোর গড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। তবে মাঝের ব্যাটাররা খুব একটা ভালো করতে পারলেন না। যাতে ৩৪৭ রানে থেমেছে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস।
শুক্রবার প্রথম দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৮ উইকেটে ৩১৭ রান। আজ শনিবার দ্বিতীয় দিনে খুব বেশিদূর এগুতে পারেনি বাংলাদেশ। বাকি দুই উইকেট হারিয়ে আর ২৯ রান যোগ করতে পেরেছে দল। সব মিলিয়ে ৯২.৩ ওভারে শেষ হয় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস।
আবুধাবি টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর দুই ওপেনার তানজিদ ও সাদমানের ব্যাটে দারুণ শুরু পেয়েছিল বাংলাদেশ। প্রথম উইকেটে ১২৪ রান যোগ করেন তাঁরা। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৭১ বলে ৮৩ রান করেন তানজিদ। তাঁর ইনিংসে ছিল আটটি চার ও চারটি ছক্কা। অন্যদিকে ১১১ বলে সাত চারে ৬৭ রান করেন সাদমান।
তানজিদ ফেরার পর সাদমানের সঙ্গে ৬০ রানের জুটি গড়েন মুমিনুল হক। তবে সাদমান আউট হওয়ার পর বাংলাদেশের ইনিংস ছন্দ হারিয়েছে। ৩৯ রান করে মুমিনুল ফেরার পর দ্রুত বিদায় নেন মুশফিকুর রহিম ও অধিনায়ক শান্ত। মুশফিক কোনো রান করতে পারেননি, শান্তের ব্যাট থেকে আসে ২৯ রান। অল্প সময়ের ব্যবধানে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
সেই চাপ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন লিটন দাস। মেহেদী হাসান মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে ষষ্ঠ উইকেটে ৬২ রান যোগ করে দলকে ভালোই টানছিলেন। ৮৯ বলে চারটি চারে ৫৩ রান করে লিটন ফিরলে আবারও বাংলাদেশের ইনিংস দ্রুত গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। মিরাজ করেন ২৪ রান।
শেষ দিকে নাঈম হাসানের ব্যাটে কিছু রান যোগ করতে পেরেছে বাংলাদেশ। ৬৭ বলে চারটি চারে ৩৫ রান করেন ডানহাতি স্পিনার। তবে অন্য প্রান্তে তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি নিচের দিকের ব্যাটারদের অন্যকেউ।
আফগানিস্তানের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন মোহাম্মদ সালিম। ২৩ ওভারে ৮২ রান দিয়ে চারটি উইকেট নেন তিনি। ইয়ামিন আহমদজাই ৭৯ রান খরচায় তুলে নেন তিন উইকেট।



