র্যাব জানায়, এ ঘটনার পর গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ফরিদ আহমেদ ওরফে অ্যাক্সেল বাবু (৫৭), আবু সাইদ (৩৩), রাশেদ খন্দকার (৩২), লিটন (২৮), তৌসিফ (৩০) ও তারিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, অ্যাক্সেল বাবু ‘কবজিকাটা’ আনোয়ার গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতা দেন। আর আবু সাইদ এই দলের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ হিসেবে পরিচিত।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব জানায়, মাঠপর্যায়ের সদস্যদের গ্রেপ্তার করলেই অপরাধী চক্র নির্মূল হয় না। কারণ, এসব চক্রের পেছনে থাকে প্রভাবশালী নিয়ন্ত্রক।
র্যাব-২–এর অধিনায়ক নয়মুল হাসান বলেন, সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। দ্রুত বিচার হলে অপরাধীদের মধ্যে ভীতি তৈরি হবে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাবোধ বাড়বে। একই সঙ্গে অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।




