বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহমান মুকুল বলেন, আল সামাদ নামের এক শিক্ষার্থীকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী। তাঁর নামে ক্যাম্পাসে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিয়ে হামলা-সংঘর্ষের ঘটনায় একটি মামলা রয়েছে। আল সামাদকে যিনি পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন, তাঁর নামেও মামলা রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. আবদুল কাইউম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে অবরোধ তুলে দিয়েছি। এখন যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। যে শিক্ষার্থীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে, তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। আর তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত। তাই বহিরাগত কারও বিরুদ্ধে আমাদের ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার নেই। এ ছাড়া মামলায় কেউ গ্রেপ্তার হলে সেখানে তো আমাদের কারও কিছু করার নেই। আইন আইনের গতিতে চলবে।’



