শেয়ারবাজারে সূচক কমে দেড় বছর আগের অবস্থায়

শেয়ারবাজারে সূচক কমে দেড় বছর আগের অবস্থায়

সূচক নিয়ে বিএসইসি ও ডিএসইর বৈঠক

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সূচকের বার্ষিক সমন্বয় করতে গিয়ে ডিএসইএক্স থেকে ৮৩ কোম্পানির বাদ পড়া ও কারসাজির শেয়ার সূচকে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে ডিএসই কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএসইসি। গতকাল বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সংস্থাটির কমিশনার শামসুদ্দিন আহমেদ। ডিএসইর পক্ষে ছিলেন সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ টি এম তারিকুজ্জামানসহ সূচক কমিটির সদস্যরা।

বৈঠকের বিষয়ে জানতে বিএসইসি ও ডিএসইর সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনো পক্ষ আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি। তবে বৈঠকে উপস্থিত একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাদ পড়া কোম্পানিগুলোকে সূচকে অন্তর্ভুক্ত করা বা নতুন করে সূচকটি সমন্বয়ের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

গতকাল প্রথম আলোতে ‘সূচকে কারসাজির শেয়ারের দাপট, যাচ্ছে ভুল বার্তা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়। এতে বলা হয়, শেয়ারের সর্বনিম্ন মূল্যস্তর বা ফ্লোর প্রাইসের কারণে লেনদেন না হওয়ায় সূচকটি সমন্বয় করতে গিয়ে ভালো অনেক কোম্পানি বাদ পড়েছে। তার বিপরীতে কারসাজির মাধ্যমে অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি পাওয়া বন্ধ থাকা কিছু কোম্পানি সূচকে ঢুকে গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর এ বিষয়ে ডিএসইর কাছে জানতে চায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি।

প্রথম আলোর প্রতিবেদনের বিষয়ে গতকাল ডিএসইর পক্ষ থেকে একটি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়, এসঅ্যান্ডপির পদ্ধতি অনুসরণ করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় এ সমন্বয়ের কাজটি দায়িত্বশীলতার সঙ্গে করা হয়েছে। এসঅ্যান্ডপির পদ্ধতি অনুযায়ী, এ সূচকে অন্তর্ভুক্ত হতে হলে কোম্পানিগুলোর ন্যূনতম ছয় মাসের দৈনিক গড় লেনদেন ১০ লাখ টাকা হতে হয়। ফ্লোর প্রাইসের কারণে গত বছরের শেষ ছয় মাসে ডিএসইতে লেনদেন অনেক কমে যায়। ফলে সূচকে থাকা অনেক কোম্পানি ন্যূনতম লেনদেনের শর্ত পূরণ করতে পারেনি। তাই সেগুলো বাদ পড়ে। এ নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য ডিএসইর পক্ষ থেকে বিনিয়োগকারীসহ বাজারসংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়।

Scroll to Top