তবে ইকবাল জাফর ও মহসীন দেওয়ান লিটন প্রথম আলোকে বলেছেন, তাঁরা মরমি কবি রাজ্জাক দেওয়ানের বইয়ের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করেছেন কুমিল্লার সংগ্রাহক এম এ ছোবহানের কাছ থেকে। ১৯৭৫ সালে প্রকাশিত ‘বাউলের প্রাণ রাজ্জাক গীতিমালা’ নামের বইটি ছিল এর মূল পাণ্ডুলিপি। কবির স্মৃতি রক্ষার জন্য তাঁরা ২০১০ সালে কবির বাড়িতে গঠন করেন মরমি সাধক কবি আব্দুর রাজ্জাক দেওয়ান ফাউন্ডেশন। এই ফাউন্ডেশন ২০১৫ সালে স্মরণিকা ও ২০২০ সালে বই প্রকাশ করে। তপন বাগচী একটি প্রবন্ধ লেখার কথা বলে দ্বিতীয় খণ্ডের জন্য সংরক্ষিত গানগুলো নেন। পরে এসব নিয়ে নিজে বই প্রকাশ করেন বলে প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন এই দুই সম্পাদক।
এ সময় তাঁরা জানান, কবিপত্নী নাছিমা দেওয়ান তাঁদের লিখিতভাবে বইয়ের পাণ্ডুলিপি দিয়েছেন। তপন বাগচী বই প্রকাশের পর নাছিমা দেওয়ান বাংলা একাডেমিতে লিখিত প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ওই চিঠির অনুলিপি তাঁরা প্রথম আলোকে দিয়েছেন।
কবি আব্দুর রাজ্জাকের প্রথম স্ত্রী মাসুমা বেগম মধুমালার একমাত্র সন্তান কাজল দেওয়ান। মাসুমা বেগম মধুমালা ছিলেন পাকিস্তান রেডিওর শিল্পী। তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করে কবি আব্দুর রাজ্জাক বিয়ে করেন নাছিমা দেওয়ানকে। এ ঘরের ছেলে সুজন দেওয়ান। সুজন দেওয়ান কয়েক বছর আগে মারা গেছেন।




