৩. কলকাতা পুলিশ ও পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ—দুই ধরনের পুলিশি ব্যবস্থা কলকাতায় রয়েছে। আমার একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনায় ১০০ নম্বরে পাবলিক কলে কলকাতা পুলিশের সাহায্য চাইলাম। ফোনে ঘটনার একটি বিবরণ নিল এবং পাঁচ মিনিট পরে পুলিশ ফোন করে বলে, আমি যেন অকুলস্থলে থাকি, তারা আসবে। আমি বললাম, আপনাদের আসতে হবে না, আমি নিজেই নিকটস্থ পুলিশ স্টেশনে আসছি। আমি গেলাম, একটি এজাহার দিলাম। ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট পর ১ জন এসআই, ১ জন এএসআই, দুজন কনস্টেবল আমাকে গাড়িতে করে নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন এবং পরবর্তী এক ঘণ্টায় বিষয়টি সুরাহা করে তাঁরা প্রস্থান করেন। এত দ্রুত পুলিশি সেবাও আমাকে অভিভূত করেছে।
৪. হোটেল, রেস্তোরাঁ কিংবা স্ট্রিট ফুড—যা–ই বলুন, দাম বাংলাদেশের ঢাকা শহরের তুলনায় সস্তা। স্ট্রিট ফুড, তা ফলের প্লেট কিংবা লুচি-তরকারি, যা–ই বলুন, ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে খাওয়া সারা যায়। বোতলের পানি দরকার হয় না, কলের পানি নিরাপদ। অবশ্য আমরা বাংলাদেশের মানুষ তা সহজে বিশ্বাস করতে পারি না।
৫. কলকাতা শহরে খোলামেলাভাবে হোটেলে-রেস্তোরাঁয় গরুর মাংস পাওয়া যায়, যা ভারতের অন্য অনেক রাজ্যে সম্ভব নয়। দামও নাগালের মধ্যে। সারা দিন লাইসেন্সপ্রাপ্ত দোকানে মদ বিক্রি চলছে। সন্ধ্যার পর তো রীতিমতো লাইন। কিন্তু সড়কে কিংবা অলিগলিতে মাতলামি চোখে পড়েনি।




