শ্রীমঙ্গল, ২৭ জানুয়ারি – কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ বলেছেন, ‘দেশে চাল আমদানি করা হবে না। হংকং, ভারত, ভিয়েতনাম ও চীন চাল রপ্তানি করবে না, আমরাও চাল আমদানি করব না। আমাদের চাল রপ্তানিও করা হবে না। আমাদের দেশে উৎপাদিত চাল দিয়ে দেশের খাদ্যের সংস্থান হবে।
উদ্বৃত্ত চাল সংরক্ষণ করা হবে।’
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে কৃষকের সঙ্গে প্রথম উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। আজ শনিবার সকালে নোয়াগাঁও গ্রামের কৃষক ইন্দু ভূষণ পাল নিরুর উঠানে এ বৈঠক হয়। এর আগে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের সঙ্গে সারা দেশে উঠান বৈঠক করার কর্মপরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন কৃষিমন্ত্রী।
এ বৈঠকে প্রায় পাঁচ শতাধিক কৃষক উপস্থিত ছিলেন। সেখানে আমন ধান কাটার জমি এখনো পতিত আছে কেনো সে বিষয়ে কৃষকের কাছে বিস্তারিত শুনেন কৃষিমন্ত্রী।
এ সময় মৌলভীবাজার জেলা কৃষি বিভাগকে নির্দেশনা দিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেছেন, জেলার সব পতিত জমি চিহ্নিত করে কোন কোন পতিত জমিতে কী ফসল হবে, কিভাবে চাষের আওতায় আনা যাবে তার জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা আগামী ৫০ দিনের মধ্যে তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠাবেন। কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
কৃষকদের সেচ সংকট নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সেচের সমস্যা কিভাবে সমাধান করা যায়, তা দেখা হচ্ছে। মতিয়া চৌধুরী যখন কৃষিমন্ত্রী ছিলেন, তখন তার সঙ্গে যোগাযোগ করে সারা দেশে একমাত্র রাবার ড্যাম পেয়েছিলাম আমরা। এতে এ এলাকার কৃষিক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্য পাচ্ছি।’
মৌলভীবাজারে শ্রমিক সংকট রয়েছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আগামীতে শ্রমিক সংকট কমাতে বেশি করে কৃষি যন্ত্রপাতি দেওয়া হবে। এটি চলমান একটি প্রক্রিয়া আছে, এটিকে সীমিত করে দেওয়া হয়েছে।
আমি পুনরায় সেটা পূর্ণোদ্যমে চালু করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব। বর্তমানে এ জেলায় শ্রমিকের সংকট রয়েছে। কারণ আমরা প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা। প্রবাসে গিয়ে আমাদের জেলার শ্রমিকরা যে উপার্জন করেন দেশের কৃষিক্ষেত্রে সে পরিমাণ উপার্জন করা সম্ভব হয় না। এখানে শ্রমিকের মজুরি কম, বিদেশে গিয়ে ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা উপার্জন করতে পারেন। এ সমস্যা থেকে কিভাবে উত্তরণ করা যায় তা ভেবেচিন্তে বের করার চেষ্টা করব।’
সূত্র: কালের কন্ঠ
আইএ/ ২৭ জানুয়ারি ২০২৪





