জেলা প্রশাসক আরও বলেন, জেলায় ধান ও চালের কোনো সংকট নেই। সংকটের গুজব রটিয়ে সরকারকে বিব্রত করলে বা কেউ কৃত্রিম সংকট তৈরি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চালের বাজার কেউ যাতে অস্থিতিশীল করে তুলতে না পারেন, সে জন্য ব্যবসায়ীদের মতামতের ভিত্তিতে যৌক্তিক দর নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। যাঁরা সিদ্ধান্ত মানবেন না, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে বেলা তিনটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে চালকলমালিক, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সভা করে জেলা প্রশাসন। সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নিলুফা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মেহবাউল করীম, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী সাইফুদ্দিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজা পারভীনসহ জেলার চালকলমালিক, আমদানিকারক, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে বাংলাদেশ অটো মেজর অ্যান্ড হাসকিং মিল মালিক সমিতি বগুড়া জেলার সভাপতি এ টি এম আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘চালের দাম মিল, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে জেলা প্রশাসন থেকে নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। তবে ধানের দাম বাড়লে এই দরে চাল বিক্রি করা ব্যবসায়ীদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়বে।’





