এক. বাংলাদেশ, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার মতো প্রতিবেশীর ক্ষেত্রে প্রতিদান না চেয়ে ভারত যথাসম্ভব প্রতিবেশী দেশ যা চাইবে তা দেবে ও মেনে নেবে।
দুই. দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো তাদের ভূমি একে অন্যের স্বার্থের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হতে দেবে না।
তিন. একে অন্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না।
চার. একে অন্য দেশের অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবে।
পাঁচ. পারস্পরিক বিরোধ শান্তিপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করবে।
স্পষ্টতই ভারত এসব নীতি থেকে সরে এসেছে। বাংলাদেশের সঙ্গে অসম অর্থনৈতিক সম্পর্ক, গত তিনটি নির্বাচন, বিশেষ করে সর্বশেষ নির্বাচনই এর প্রমাণ।
পরিশেষে বইটি সম্পর্কে শশী থারুরের মন্তব্য উদ্ধৃত করে বলা যায়, অশোকার বইয়ের সব বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা ও উপসংহারের সঙ্গে সব পাঠক একমত হবেন তা নয়, আমিও নই। তবে এতত্সত্ত্বেও বলা যায়, অশোকা একটি অতিপ্রয়োজনীয় বই লিখেছেন। কেবল ভারতবর্ষের পাঠক নয়, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে যাঁরা ভাবেন, তাঁরা এই বই পড়ে উপকৃত হবেন।
● মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান অর্থনীতিবিদ ও সাবেক সচিব



