মূলত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্যই নিউইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি স্টেডিয়ামকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। তবে সবকিছুই অস্থায়ী। যেমন সেখানে বসানো হচ্ছে ড্রপইন পিচ (প্রতিস্থাপনযোগ্য)। অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড ওভালের কিউরেটর ডামিয়ান হফের নির্দেশনায় পিচগুলো বানানো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায়। সেখান থেকে নিয়ে বসানো হচ্ছে নিউইয়র্কে। গ্যালারি ও গ্র্যান্ডস্ট্যান্ড তৈরি করতে যেসব আসনের প্রয়োজন, সেগুলো আনা হবে লাস ভেগাস থেকে। ওই চেয়ারগুলো রেসিং প্রতিযোগিতা ফর্মুলা ওয়ানের লাস ভেগাস গ্রাঁ প্রিতে ব্যবহার করা হয়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষে এগুলো আবারও সরিয়ে নেওয়া হবে। এটিই হতে যাচ্ছে ক্রিকেট বিশ্বকাপ আয়োজন করা প্রথম অস্থায়ী স্টেডিয়াম।
সর্বশেষ কাতারে ২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপে দেখা গেছে অস্থায়ী স্টেডিয়াম। জাহাজের ৯৭৪টি কন্টেইনার দিয়ে দোহায় বানানো হয়েছিল ‘স্টেডিয়াম ৯৭৪’, বিশ্বকাপ শেষে যা ভেঙে ফেলা হয়। তবে ৪৪ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার ‘স্টেডিয়াম ৯৭৪’-এ রাতে একাধিক ম্যাচ হলেও ৩৪ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার নাসাউ কাউন্টি স্টেডিয়ামে সব ম্যাচ হবে দিনে। কারণ, এ মাঠে ফ্লাডলাইটের ব্যবস্থা থাকবে না।
নিউইয়র্কে সব ম্যাচ দিনের আলোয় হলেও মাঠভর্তি দর্শক আশা করছেন টেটলি, ‘হ্যাঁ, ম্যাচের সময়টা একটা ব্যাপার, যেটাকে আমরা বিবেচনায় নিয়েছি। কিন্তু আমরা একটি বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্টের কথা বলছি, যেখানে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়েরা একটি বিশ্বমানের ভেন্যুতে তাদের ক্রীড়াশৈলী দেখাবে। তাই আমার আশা, মাঠ দর্শকে ভরে যাবে এবং পরিবেশ বিশ্বকাপের মতোই চমকপ্রদ হবে।’
ভারতের বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইট জানিয়েছে, উপমহাদেশের বিপুল ক্রিকেটপ্রেমীর কথা মাথায় রেখে যুক্তরাষ্ট্রে দিনের ম্যাচগুলো গ্রিনিচ মান সময় অনুযায়ী বেলা ২টা থেকে বিকেল ৪টার (বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা থেকে রাত ১০টা) মধ্যে শুরু হতে পারে। তবে টেটলি জানিয়েছেন, সূচি চূড়ান্ত হলেও ম্যাচ শুরুর সময় এখনো ঠিক হয়নি, ‘আমরা এখনো ম্যাচের শুরুর সময় প্রকাশ করিনি।’
আগামী ১ জুন ডালাসে উদ্বোধনী ম্যাচে সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হবে প্রতিবেশী কানাডা। বার্বাডোজে ফাইনাল হবে ২৯ জুন। বাংলাদেশের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে ৭ জুন, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে।



