সদ্য সাবেক তিন মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রী তাদের আগের আইন পেশায় ফিরেছেন। তারা হলেন সাবেক রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম (সুজন), সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এবং সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী।
নতুন সরকারের মন্ত্রীদের প্রথম কর্মদিবস ছিল রবিবার (১৪ জানুয়ারি)। এদিন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে আসেন সদ্য সাবেক এই তিন মন্ত্রী।
সুপ্রিম কোর্টে অবস্থিত চেম্বারে এক সঙ্গে বসে সময় কাটান তারা। বিকালে নিজেদের চেম্বারেও (সমিতি ভবনের বাইরে ব্যক্তিগত চেম্বার) বসেন।
আইন পেশায় ফেরা প্রসঙ্গে শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘৩৬ বছর ধরে এই পেশায় আছি। আদালত অঙ্গনে ফিরে এসে আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত। সহকর্মীদের নিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার যাত্রা ফের শুরু করলাম। নিজের চেম্বারে বসছি। নিয়মিত কোর্টে আসব।’
আজ চারটি মামলার শুনানি করেছেন বলে জানালেন পিরোজপুর-১ আসনের এই সংসদ সদস্য।
সাবেক এই তিন মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রী সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক।
তাদের মধ্যে নূরুল ইসলাম ও শ ম রেজাউল করিম দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তবে হবিগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ সায়েদুল হকের (ব্যারিস্টার সুমন) কাছে হেরেছেন মাহবুব আলী।
মাহবুব আলী বলেন, ‘মন্ত্রিত্বের মেয়াদ শেষে অনেককে আইন পেশায় ফিরতে দেখেছি। অনেক দিন পর প্রিয় প্রাঙ্গণে এসেছি। বন্ধু ও সহকর্মীদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছি, মন খুলে কথা বলেছি। খুব ভালো লেগেছে। নিজের চেম্বারে বসছি। এখন থেকে নিয়মিত কোর্টেও আসব।’
উল্লেখ্য, গত রবিবার (৭ জানুয়ারি) দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। ভোটের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের পর গঠিত হয় নতুন মন্ত্রিসভা।
গত বৃহস্পতিবার নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নিয়েছেন। নতুন মন্ত্রিসভায় আগের ১৫ জন মন্ত্রী, ১৩ জন প্রতিমন্ত্রী ও ২ জন উপমন্ত্রী স্থান পাননি।
নূরুল ইসলাম বলেন, ‘মন্ত্রী থাকায় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ভোটাধিকার ও আইন পেশা পরিচালনা স্থগিত ছিল। এটি নিয়মিতকরণ করা হয়েছে। নিজের চেম্বারেও (হাতিরপুলে অবস্থিত) বসছি। এখন থেকে নিয়মিত কোর্টেও যাব।’




