খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১০০ শয্যার এই হাসপাতালে অন্তবিভাগে চার শতাধিক রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ ছাড়া বহির্বিভাগে ৮০০ থেকে ১ হাজার রোগী চিকিৎসা নিয়ে থাকেন। বর্তমানে চিকিৎসা নিতে আসা ব্যক্তিদের বেশির ভাগই নিউমোনিয়া, রোটা ভাইরাসজনিত ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত। সীমিত জনবল দিয়ে বিপুলসংখ্যক রোগীর সেবা দিতে বেগ পেতে হচ্ছে।
আজ সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় বহির্বিভাগের চিকিৎসাসেবা বন্ধ। যে জন্য পুরো চাপ গিয়ে পড়েছে জরুরি বিভাগে। সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জোবাইদা জামান বলেন, শীতের কারণে শিশুরা নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিস এবং বড়রা অ্যাজমা, হাঁপানিসহ শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসছেন।


