নাশকতার সন্দেহ, জড়িত কারা, জানা নেই পুলিশের

নাশকতার সন্দেহ, জড়িত 
কারা, জানা নেই পুলিশের

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গতকাল গিয়ে দেখা যায়, ট্রেনে আগুনে নিহত চারজনের মরদেহের মধ্যে তাঁদের স্বজন রয়েছেন কি না, সেটি নিশ্চিত হতে রেলওয়ে পুলিশের কাছে আবেদন জানিয়েছেন পাঁচ ব্যক্তি।

ঢাকা রেলওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সেতাফুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) মাধ্যমে ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার পর মিল পেলে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

রেলওয়ে পুলিশের কাছে আবেদনকারী চারজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নিখোঁজ তিনজন নারী ও একজন যুবক। তবে শিশুর লাশের দাবিদার কাউকে পাওয়া যায়নি।

আবেদনকারীদের একজন চিকিৎসক দিবাকর চৌধুরী। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর বোন চন্দ্রিমা চৌধুরী রাজবাড়ী থেকে শুক্রবার বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে ঢাকায় আসছিলেন। আগুনের ঘটনার পর তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। কোথাও বোনের সন্ধান পাননি তিনি।

নাতাশা জেসমিন (২৫) নামের এক নারী নিখোঁজ বলে দাবি করেছেন তাঁর স্বামী আসিফ মো. খান। তিনি বলেন, আগুন লাগার পর ট্রেনের জানালা দিয়ে তাঁকে লোকজন বের করে আনে। তাঁর স্ত্রীকে বের করা যায়নি।

রিয়াসাত সামিট নামের একজন বলেন, রাজবাড়ী থেকে বেনাপোল এক্সপ্রেসে ঢাকায় আসছিলেন তাঁর ছয় স্বজন, যাঁরা এক পরিবারের। শিশুসহ পাঁচজনের সন্ধান পাওয়া গেলেও এলিনা ইয়াসমিন নামের এক নারীর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

Scroll to Top