শখ করে প্রথম ট্রেনে উঠেছিলেন চন্দ্রিমা, হাসপাতালে হাসপাতালে খুঁজে বেড়াচ্ছে পরিবার

শখ করে প্রথম ট্রেনে উঠেছিলেন চন্দ্রিমা, হাসপাতালে হাসপাতালে খুঁজে বেড়াচ্ছে পরিবার

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দিবাকরের সঙ্গে কথা হলো। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, চন্দ্রিমার সঙ্গে তাঁর সবশেষ যখন কথা হয়, তখন ট্রেনটি ফরিদপুরের ভাঙ্গা এলাকায় ছিল। চন্দ্রিমা বলেছিলেন, ট্রেনটি নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ২০ মিনিট দেরিতে আছে।’

দিবাকর বলেন, ‘কাল আমার বিকালের শিফটে ডিউটি ছিল। ওকে (চন্দ্রিমা) স্টেশন থেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য শিফট পাল্টে নিয়েছিলাম। রাত ৮টা ৪৫ মিনিটের দিকে কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছাই। পরে শুনতে পাই ট্রেনের বগিতে আগুন লেগেছে।’

দিবাকর যখন প্রথম আলোর এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলছিলেন, তখন একটু পর পর তাঁর মুঠোফোন বাজছিল। দূর থেকে স্বজনেরা ফোন করে চন্দ্রিমার খোঁজ জানতে চাইছিলেন। দিবাকরের একটাই উত্তর ছিল, ‘না, পাইনি’।

চন্দ্রিমার ভাবি অন্তরা বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, চন্দ্রিমার বাবা নেই। মা রাজবাড়িতে থাকেন। স্নাতকোত্তর শেষ করার পর দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন চন্দ্রিমা।

কথাগুলো বলার সময় চোখের পানি ধরে রাখতে পারলেন না অন্তরা।

Scroll to Top