প্রথমবারের মতো পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-১৭ দলে রোনালদোপুত্র – Sarabangla

প্রথমবারের মতো পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-১৭ দলে রোনালদোপুত্র – Sarabangla

বাবার জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে যখন অনিশ্চয়তা, তখন পর্তুগালের বয়সভিত্তিক দলে ধাপে ধাপে এগিয়ে যাচ্ছেন ছেলে। কোচের সঙ্গে মনোমালিন্য, জাতীয় দলের ক্যাম্প ছাড়ার ঘটনা—সব মিলিয়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়ে যখন আলোচনা তুঙ্গে, তখন পর্তুগালের অনূর্ধ্ব-১৭ দলে প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন তাঁর বড় ছেলে ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়র। বাবার মতো জাতীয় দলের জার্সি গায়ে জড়ানোর পথে আরও এক ধাপ এগোলেন ১৬ বছর বয়সী এই তরুণ।

ফুটবল বিশ্বে ‘ক্রিস্তিয়ানিনহো’ নামে পরিচিত রোনালদোর ছেলে। এর আগে পর্তুগালের অনূর্ধ্ব-১৫ ও অনূর্ধ্ব-১৬ দলে খেলেছেন। বয়সভিত্তিক দুই দল মিলিয়ে ১৩ ম্যাচে করেছেন পাঁচ গোল। বর্তমানে সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসরের যুব দলে খেলছেন। ফরোয়ার্ড পজিশনে খেলা ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়র এবার অনূর্ধ্ব-১৭ দলে জায়গা করে নিলেন।

ইউরোপিয়ান অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বের জন্য ঘোষিত পর্তুগাল দলে জায়গা হয়েছে ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়রের। আগামী ১১ নভেম্বর অ্যান্ডোরার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বাছাই অভিযান শুরু করবে পর্তুগাল। এরপর ১৪ নভেম্বর বুলগেরিয়া ও ১৭ নভেম্বর সার্বিয়ার মুখোমুখি হবে দলটি। তিনটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের অনুশীলনকেন্দ্র ওরেইরাসে।

ছেলের ফুটবলার হয়ে ওঠা নিয়ে অবশ্য বরাবরই সতর্ক রোনালদো। প্রতিভা থাকলেই যে বড় খেলোয়াড় হওয়া যায় না, সেটি মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। ছেলের ওপর ফুটবলার হওয়ার কোনো চাপও দিতে চান না পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা।

ছেলেকে নিয়ে আগে এক সাক্ষাৎকারে রোনালদো বলেছিলেন, ‘সে বড় খেলোয়াড় হতে পারবে কি না, তা সময়ই বলবে। এখনো সে সেই পর্যায়ে পৌঁছায়নি। কখনো কখনো সে কোল্ড ড্রিংকস খায়, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খায়; আর এতে আমি যে রেগে যাই, সেটাও সে জানে। ট্রেডমিলে দৌড়ানোর পর রিকভারির জন্য তাকে ঠান্ডা পানিতে নামতে বললে সে বলে, “বাবা, এটি বড্ড ঠান্ডা!” সে এখনো ছোট, তাই এমন আচরণ স্বাভাবিক। তবে তার সম্ভাবনা আছে—গতি ভালো, ড্রিবলিংও চমৎকার। কিন্তু এটাই সব নয়, প্রচুর পরিশ্রম ও একাগ্রতা প্রয়োজন। ফুটবলার হতেই হবে—এমন কোনো চাপ আমি তার ওপর দেব না। তবে সে ফুটবলার হোক বা ডাক্তার, আমি চাই সে যেন সেরাটাই হয়।’

Scroll to Top