ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হারের পর ব্যাটিং ইউনিটকে দায়ি করেছেন অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন আহমেদ। তরুণ ওপেনিং ব্যাটার তানজিদ হাসান তামিমও তাসকিনের সঙ্গে একমত। তরুণ ওপেনারের মতে, ব্যাটসম্যানরা সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে না পারাই হারের মূল কারণ। সমস্যা কাটিয়ে উঠতে ব্যাটারদের মানসিকতা পরিবর্তন ও উন্নতির কথা বলেছেন তামিম।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৭২ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। ৯৯ রানের সেই হারে বড় কোনো জুটি গড়তে পারেননি ব্যাটাররা। ম্যাচের পর দলের গেম অ্যাওয়্যারনেস ও ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন পেসার তাসকিন আহমেদ। তাঁর সঙ্গে একমত তানজিদও।
তিনি বলেন, ‘উনি (তাসকিন) যেটা বলেছে সত্য কথা বলেছে। আমরা আমাদের ব্যাটিং ইউনিটে দায়িত্ব নিতে পারিনি। উইকেট যথেষ্ট ভালো ছিল। আমার কাছে মনে হয় এই রান তাড়া করার মতো ছিল। যতক্ষণ পর্যন্ত ব্যাটিং করেছি আমার কাছে খুব ভালো লাগছিল। দুর্ভাগ্যবশত আউট হয়ে গিয়েছি। তবে আমাদের সবারই দায়িত্ব নেওয়া উচিৎ এটা আমার মনে হয়।’
তানজিদের মতে, বড় লক্ষ্য দেখেই চাপে পড়ে যাওয়ার বদলে ব্যাটারদের ছোট ছোট লক্ষ্য ধরে এগোনো উচিত। এতে রান তাড়ার চাপ সামলানো সহজ হবে, পাশাপাশি ইনিংসের পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগও বাড়বে।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই এটা মাইন্ডসেটের ব্যাপার। তিনশ বা সাড়ে তিনশ না ভেবে ছোট ছোট টার্গেট করে খেলি তাহলে জিনিসটা সহজ হবে। এভাবেই মেন্টালিটি সেট করতে হবে আমাদের। আমার মনে হয় ধারাবাহিকতা আর মাইন্ডসেট এখানে অনেক ইম্পরট্যান্ট। এই দুটো এক হলে স্পেশাল সিচুয়েশনে ভালো করতে পারব আমরা।’
জিম্বাবুয়ের কাছে এমন হার কেবল প্রতিপক্ষের ভালো খেলার ফল হিসেবে দেখছেন না তানজিদ। বরং নিজেদের সেরা ক্রিকেট খেলতে না পারার দায়ই বেশি বলেছেন তিনি।
তানজিদ বলেন, ‘অবশ্যই মাইন্ডসেটে। আমরা ভালো ক্রিকেট খেলিনি, ওরা আমাদের চেয়ে ভালো খেলেছে। এজন্যই ওরা জিতেছে, আমরা হেরেছি। যেদিন সেরাটা খেলতে পারব, সেরাটা দিতে পারব… সেদিনই। আমাদের ব্র্যান্ড অনুযায়ী টপ ক্লাস ক্রিকেট খেলতে হবে।’
বুধবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামবে বাংলাদেশ। ফাইনাল খেলতে হলে আফগানিস্তানকে শুধু হারালেই চলবে না, হারাতে হবে বড় ব্যবধানে। ব্যর্থতা ভুলে আপাতত সেদিকেই মনযোগ দলের।



