ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো-আর্লিং হালান্ডের লড়াই দেখার অপেক্ষায় ছিল ফুটবলপ্রেমীরা। কিন্তু ওসলোতে সেই দ্বৈরথ হলো না। পর্তুগালের একাদশে জায়গাই হয়নি রোনালদোর, পুরো ম্যাচই বেঞ্চে বসে থাকতে হয়েছে সিআর সেভেনকে। অন্যদিকে নরওয়ের হয়ে গোল করেছেন হালন্ড। তবে দিন শেষে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে পর্তুগালই।
গনসালো রামোসের গোলে নরওয়েকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে পর্তুগাল। উয়েফা নেশনস লিগে এটি পর্তুগালের টানা দ্বিতীয় জয়। আগের ম্যাচে ওয়েলসকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল দলটি। সেই ম্যাচে অবশ্য মাঠে ছিলেন রোনালদো। তবে বেশ কিছু গোলের সুযোগ মিস করেছিলেন। নরওয়ের বিপক্ষে সেই কারণেই হয়ত একাদশে জায়গা হয়নি পর্তুগাল মহাতারকার।
ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করে পর্তুগাল। ১৭ মিনিটে পেদ্রো নেতোর পাস থেকে জোয়াও ফেলিক্স দারুণ ফিনিশিংয়ে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। ওয়েলসের বিপক্ষে জয়সূচক গোল করার পর টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জালের দেখা পেলেন ফেলিক্স।
বিরতির পর অবশ্য নরওয়েকে সমতায় ফেরান হালান্ড। ৫১ মিনিটে মার্টিন ওডেগরের ফ্রি-কিক থেকে আসা বল গোলরক্ষক দিয়োগো কোস্তা প্রথমে ঠেকালেও ফিরতি বলে খুব কাছ থেকে গোল করেন হালান্ড। নেশনস লিগে এটি তার রেকর্ড ২২তম গোল।
তবে সমতা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। মাত্র তিন মিনিট পরই নরওয়ের গোলরক্ষক ওরজান নিল্যান্ডের বড় ভুলের সুযোগ নেন রামোস। নিজেদের প্রান্ত থেকে বল বাড়াতে গিয়ে নিল্যান্ডের পাস সরাসরি চলে যায় পর্তুগাল ফরোয়ার্ডের কাছে। বল নিয়েই গোলরক্ষককে কাটিয়ে চিপ শটে জালে পাঠান রামোস।
রামোস এরপর আরও একবার গোল করেছিলেন। কিন্তু ৫৯ মিনিটের সেই গোলটি ভিএআর পর্যালোচনার পর অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। তাতেও অবশ্য পর্তুগালের জয় আটকানো যায়নি।
এই ম্যাচে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রোনালদো। রোনালদোকে মাঠে নামানোর ব্যাখ্যায় পর্তুগালের নতুন কোচ জর্জ জেসুস বলেন, পরপর দুটি ম্যাচে রোনালদোকে শুরুর একাদশে নামানো ঠিক মনে হয়, তাকে দ্বিতীয়ার্ধে নামানোর কথা ভাবনায় ছিল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে রামোস ভালো খেলায় তাকে তুলে নেননি।
রোনালদোর জায়গায় সুযোগ পাওয়া রামোস গোল করে অবশ্য কোচের সিদ্ধান্তের যথার্থতা প্রমাণ করেছেন।




