
ছবি: সংগৃহীত।
ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রে আসল লড়াইটা ‘মানুষ বনাম এআই’ হবে না। বরং লড়াইটা হবে “যারা এআই ব্যবহার করতে জানেন” বনাম “যারা জানেন না” তাদের মধ্যে। এআই আমাদের রুটিন বা সাধারণ কাজগুলো দখল করে নিয়েছে। ফলে পেশাদারদের টিকে থাকার জন্য কেবল প্রযুক্তিগত জ্ঞানই যথেষ্ট নয়; এর বাইরেও ৫টি বিশেষ দক্ষতা অর্জন করা জরুরি।
প্রযুক্তি এবং এআই ব্যবহারের দক্ষতা
আপনাকে প্রোগ্রামার হতে হবে না, তবে এআই কীভাবে কাজ করে তা জানতে হবে। এআই-এর দেওয়া তথ্য সঠিক নাকি ভুল—সেটি যাচাই করার এবং একে দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করার ক্ষমতা থাকতে হবে।
বিশ্লেষণাত্মক চিন্তাভাবনা
এআই কয়েক সেকেন্ডে কোটি কোটি তথ্য দিতে পারে, কিন্তু সেই তথ্যের আসল মানে বা তাৎপর্য কী, তা বের করার দায়িত্ব মানুষের। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৫ সালের পর এটিই হবে সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন দক্ষতা।
ব্যবসায়িক বোঝাপড়া
আপনি যে বিভাগেই (যেমন- মার্কেটিং, এইচআর বা ফাইন্যান্স) কাজ করুন না কেন, আপনার কাজ কীভাবে পুরো কোম্পানির লাভ-ক্ষতি বা কৌশলের ওপর প্রভাব ফেলছে—তা বোঝার ক্ষমতা থাকতে হবে।
কৌশলগত চিন্তাভাবনা ও সমস্যা সমাধান
এআই কোনো নির্দিষ্ট ডেটা প্রসেস করতে পারে, কিন্তু কোনো সমস্যা তৈরি হলে সেটির পেছনের প্রেক্ষাপট বা ঝুঁকি বিবেচনা করে পরবর্তী সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এআই-এর নেই। এই মানবিক বিচারবুদ্ধি ধরে রাখতে হবে।
যোগাযোগ, মানিয়ে নেওয়া এবং মানবিক বিবেচনা
আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা, দলগত কাজ, সৃজনশীলতা এবং নতুন পরিস্থিতির সাথে নিজেকে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা—এই গুণগুলো এআই কখনোই প্রতিস্থাপন করতে পারবে না।
এআই তথ্য তৈরি করবে, কিন্তু মানুষ তার বিচারবুদ্ধি দিয়ে সেই তথ্যকে সঠিক সিদ্ধান্তে রূপান্তর করবে।
প্রতিবেদক
চ্যানেল আই অনলাইন
চ্যানেল আই অনলাইন
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…
