এ ঘটনার এক দিন পর নিহত জোবায়েদের বড় ভাই এনায়েত হোসেন সৈকত বাদী হয়ে বংশাল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার প্রায় ৯ মাসের তদন্ত শেষে গত ৩০ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বংশাল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আশরাফ হোসেন।
তদন্তে উঠে এসেছে, এটি তাৎক্ষণিক কোনো হামলা ছিল না, বরং প্রায় এক মাস ধরে পরিকল্পনা, নজরদারি, ঘটনাস্থল রেকি এবং সুযোগের অপেক্ষার পর হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়। তদন্তে উঠে এসেছে, প্রেমের সম্পর্কের জটিলতা এবং অন্তরঙ্গ ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাই ছিল এই হত্যার মূল কারণ।
এই মামলায় অভিযুক্ত তিনজন হলেন ছাত্রী বার্জিস শাবনাম বর্ষা (১৯), তাঁর প্রেমিক মাহির রহমান (১৯) এবং মাহিরের বন্ধু ফারদীন আহম্মেদ আয়লান (২১)। তদন্ত কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, মাহির ছিলেন মূল হামলাকারী, বর্ষা হত্যার পরিকল্পনাকারী এবং আয়লান ছিলেন সহযোগী। অভিযুক্ত তিন আসামি বর্তমানে কারাগারে।
