
মাদ্রিদ, ৭ জুলাই – ২০২৬ বিশ্বকাপের উন্মাদনা ফুটবল বিশ্বে বহমান থাকলেও ক্রীড়াপ্রেমীদের বড় একটি অংশ এখন থেকেই ২০৩০ সালের বিশ্বকাপের দিকে নজর রাখছেন। ফুটবলের বিশ্ব আসরের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টটি হবে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ এবং ঐতিহাসিকভাবে অনন্য।
ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপের ১০০ বছর উদযাপনে এবারই প্রথম ফুটবলের এই মেগা ইভেন্ট তিনটি মহাদেশ জুড়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ফিফার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০৩০ বিশ্বকাপের মূল আয়োজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে স্পেন পর্তুগাল ও মরক্কো।
তবে ১৯৩০ সালে আয়োজিত প্রথম বিশ্বকাপের গৌরবময় স্মৃতি স্মরণে উদ্বোধনী পর্বের তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ আমেরিকার তিনটি দেশে। এগুলো হলো উরুগুয়ে আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে। এর ফলে মোট ছয়টি আয়োজক দেশ হিসেবে সরাসরি এই বিশ্ব আসরে খেলার সুযোগ পাবে।
ফিফা কংগ্রেসের চূড়ান্ত অনুমোদন অনুযায়ী উদ্বোধনী ম্যাচগুলো শেষে অংশগ্রহণকারী দলগুলো ইউরোপ ও আফ্রিকায় গিয়ে টুর্নামেন্টের পরবর্তী ধাপের ম্যাচগুলোতে অংশ নেবে। এর আগে ২০২৪ সালের ১১ ডিসেম্বর ফিফা কংগ্রেসে এই আয়োজক দেশগুলোর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।
উরুগুয়ের মন্টেভিডিওর ঐতিহাসিক এস্তাদিও সেন্টেনারিও স্টেডিয়ামে একটি উদ্বোধনী ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে যেখানে শতবর্ষ আগে প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২০৩০ বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি অনুযায়ী টুর্নামেন্টটি শুরু হবে ৮ জুন এবং দীর্ঘ ৪৪ দিনের লড়াই শেষে ২১ জুলাই ফাইনালের মাধ্যমে পর্দা নামবে।
দীর্ঘ ভ্রমণ এবং খেলোয়াড়দের বিশ্রামের কথা বিবেচনা করে বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই হবে সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের আসর। ভেন্যু হিসেবে স্পেনের মাদ্রিদ ও বার্সেলোনাসহ বিভিন্ন শহরের স্টেডিয়াম এবং মরক্কোর নির্মাণাধীন হাসান টু স্টেডিয়াম বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। ফিফা জানিয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপের পর ফাইনাল ম্যাচের ভেন্যু আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
এস এম/ ৭ জুলাই ২০২৬







