মিমকয়েনের দাম সাধারণত দ্রুত বাড়ে, আবার দ্রুতই পড়ে যায়। কেননা, প্রচলিত অনেক ক্রিপ্টোকারেন্সির মতো এগুলোর অন্তর্নিহিত অর্থনৈতিক মূল্য নেই। এগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও জল্পনানির্ভর সম্পদ। ফলে নানা ধরনের প্রতারণাও হয়।
বিষয়টি হলো, ট্রাম্প ও মেলানিয়া টোকেনে কোনো ধরনের প্রতারণা হবে না, এমন প্রচারণা দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল, প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডি একবারে সব টোকেন বিক্রি করতে পারবেন না; তিন বছর ধরে ধাপে ধাপে তা বিক্রি করতে হবে।
তবে কোনো মিমকয়েন প্রতারণামুক্ত হলেই যে বিনিয়োগের ভালো উৎস হবে, এমন নয়। তাহলে কথা হচ্ছে, মানুষ কেন ট্রাম্পকয়েন কিনেছিল। কেউ হয়তো প্রেসিডেন্টকে সমর্থন জানাতে এই টোকেন কিনেছেন। কেউ নতুনত্বের আকর্ষণে, আবার কেউ বেশি মুনাফার আশায় বিনিয়োগ করেছেন।




