দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর গুলশানের বাসভবন থেকে তিনি বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করেন।
সরকারি সূত্র জানায়, মালয়েশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী চীন সফরে যাবেন। এই দুই সফরের মূল লক্ষ্য হচ্ছে বৃহত্তর অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা, বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা।
বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত ফ্লাইটে (বিজি ৩৮৬) দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্য উড্ডয়ন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে শনিবার (২০ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপক্ষীয় দলিল স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), দুটি চুক্তি, একটি কর্মপরিকল্পনা এবং একটি প্রোটোকল অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, সম্ভাব্য এসব চুক্তি ও সমঝোতা শিক্ষা, কৃষি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা, গণমাধ্যম, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ এবং চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতকে কেন্দ্র করে হবে।
এ ছাড়া সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি চীনের ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগ গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ-এ বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় আসতে পারে বলে জানা গেছে।
কূটনৈতিক মহলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরকে বাংলাদেশ-চীন ও বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।




