‘বাংলাওয়াশ’ মিশনে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জিং স্কোর

‘বাংলাওয়াশ’ মিশনে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জিং স্কোর

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে আগেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করে রেখেছে বাংলাদেশ। আজ জিতলেই হোয়াইটওয়াশ অস্ট্রেলিয়া। এমন সমীকরণে খেলতে নেমে চ্যালেঞ্জিং স্কোর পেয়েছে বাংলাদেশ। তৃতীয় ওয়ানডেতে অজিদের বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমে ২৭৪ রান তুলেছে বাংলাদেশ।

আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি টাইগারদের। তবে মিডল অর্ডারে লিটন দাস, তাওহিদ হৃদয় ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত তিনজন তিনটি ফিফটি করে বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং স্কোর এনে দিয়েছেন।

রোববার (১৪  জুন) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই সৌম্য সরকারকে হারায় বাংলাদেশ। অপর ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম (২০ বলে ১৯ রান) আজও রান পাননি। তিনে নেমে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত উইকেটে পরে থেকে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেছেন। তবে শান্তও বড় স্কোর গড়তে পারেননি। শান্ত ৫০ বলে ২৪ রান করে ফিরলে ৬১ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

বিপদে পড়া সেই বাংলাদেশকে টেনেছে মিডল অর্ডার। চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৯৫ রান তোলেন লিটন-তাওহিদ হৃদয়। এই জুটিতে চাপ কাটিয়ে উঠে বাংলাদেশ। এরপর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে নিয়ে দলকে টেনেছেন তাওহিদ হৃদয়। দুজনের পঞ্চম উইকেট জুটিটা ছিল ৯০ রানের।

একটা সময় মনে হচ্ছিল দারুণ খেলতে থাকা তাওহিদ হৃদয়ের সেঞ্চুরিও হয়ে যেতে পারে। কিন্তু ৪৬তম ওভারে বেন ডোয়ারশুইসের স্লোয়ার বুঝতে না পেরে ক্যাচ তুলে দেন ব্যক্তিগত ৮৩ রানের মাথায়। ৮৮ বল খেলে ৮টি চারের সাহায্যে এই রান করেন হৃদয়।

মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত আজও ফিফটি পেয়েছেন। তিন বছরের বেশি সময় ধরে দলের বাহিরে থাকা মোসাদ্দেক হুট করে দলে ঢুকে তিন ম্যাচ খেলে আজ দ্বিতীয় ফিফটি পেলেন। ছয় নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৫১ বলে ৫ চার ১ ছয়ে ৫৬ রানের একটা ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন শেষ পর্যন্ত। লিটন দাস একবার হ্যামস্ট্রিংয়ের ইনজুরিতে পরে মাঠ ছেড়েছিলেন। শেষ দিকে আবারও ব্যাটিং করতে নেমে দলের রান বাড়িয়েছেন। লিটন শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ৭৮ বলে ৪টি চার ২টি ছয়ে ৫৮ রানে। মিরপুর স্টেডিয়ামে ওয়ানডেতে লিটনের প্রথম ফিফটি এটা।

৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৭৪ রানে থেমেছে অস্ট্রেলিয়া। অজিদের হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন ম্যাট রেনশো ও জেভিয়ার বার্টলেট।

Scroll to Top