সাবেক অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ তাঁর দায়িত্ব পালনের সময়কার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও বাস্তবতার মধ্যে ভারসাম্য রাখা হচ্ছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
অর্থনীতিবিদেরা বলেছেন, জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার অস্থির হয়ে উঠলে আমদানি ব্যয় এবং জ্বালানি ভর্তুকির চাপ বাড়বে—যা বাজেট বাস্তবায়নে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে। আরও আছে প্রবাসী আয়ের সম্ভাব্য ধাক্কা। মধ্যপ্রাচ্যে কর্মসংস্থান কমে গেলে প্রবাসী আয় কমে যেতে পারে। ফলে বাজেট নিয়ে অতিরিক্ত আশাবাদী হওয়ার সুযোগ নেই। বরং রাজস্ব আদায়ের বাস্তব সক্ষমতা, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ এবং মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বিবেচনায় রেখে ব্যয় কাঠামো ঠিক করতে হবে।
বৈঠকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নের চিত্র তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে নির্বাচনী অঙ্গীকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কোন কোন ক্ষেত্রে কাজ এগোচ্ছে, সেটিও তুলে ধরা হয়। এরপর শুরু হয় খোলামেলা আলোচনা।
বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক সূত্র জানায়, আসন্ন বাজেট, কাঠামোগত সংস্কার এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার সম্ভাব্য প্রভাব—এই তিন বড় বিষয় উঠে আসে আলোচনায়। বৈঠকে অংশ নেওয়া অনেকেই মনে করেন, প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে এসে বাস্তবতানির্ভর দৃষ্টিভঙ্গিতে বাজেট করতে হবে এবার।



