বিদ্যুৎ অবকাঠামোর ওপর যুদ্ধের সময় আক্রমণের জন্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল বলে মনে করিয়ে দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সাবেক প্রসিকিউটর লুইস মোরেনো ওকাম্পো। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে যুদ্ধক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর কর্মকাণ্ড নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ওকাম্পোর মতে, বিদ্যুত-জ্বালানি অবকাঠামো বা তেল–গ্যাস ক্ষেত্রগুলোকে শুধুমাত্র সামরিক উদ্দেশ্য থাকলে আক্রমণ করা যেতে পারে। তিনি বলেন, দেশগুলো প্রায়ই বিভিন্ন যুক্তি দেখাতে চায় তাদের লক্ষ্যবস্তু আক্রমণ ন্যায্য দেখানোর জন্য। যেমন: সেই স্থাপনাগুলো রাষ্ট্র বা সামরিক সংস্থার আয় বাড়াতে পারে। তবে এগুলো এখনও নাগরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ এগুলো গ্রাহকদের জন্য গরম, রান্না ও বিদ্যুৎ সরবরাহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ওকাম্পো ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের মাধ্যমে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামোর ওপর আক্রমণের জন্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা উদাহরণও উল্লেখ করেন। মস্কোর এই ধরনের হামলা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সাধারণ কৌশল হিসেবে ব্যবহার করেছে।
মধ্যে, যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের শক্তি কেন্দ্রগুলোর ওপর হামলার হুমকি দিয়েছিলেন। তিনি বৃহস্পতিবার দক্ষিণ পার্স গ্যাস ক্ষেত্র “বৃহৎ পরিসরে ধ্বংস করার” ঘোষণা দেন। এদিকে, ইরান ও ইসরায়েল উভয়ই তেল বা গ্যাস স্থাপনার ওপর হামলা চালাচ্ছে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরান কেউই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদস্য নয়।







