নয়াদিল্লি, ১৫ মার্চ – এবারের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের অংশগ্রহণ ঘিরে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আইসিসি সফলভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন সম্পন্ন করেছে।
প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার সপ্তাহখানেক পর এই বিতর্কিত ইস্যু নিয়ে মুখ খুলেছেন আইসিসির সভাপতি জয় শাহ।
আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকায় তারা টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ে। অন্যদিকে বাংলাদেশের সঙ্গে আইসিসি অন্যায় আচরণ করেছে দাবি করে পাকিস্তানও বিশ্বকাপ থেকে নাম প্রত্যাহারের কথা বিবেচনা করেছিল। এমনকি পিসিবি ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিলেও পরে বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর অনুরোধে তারা মাঠে নামে।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানকে ঘিরে এই নাটকীয় পরিস্থিতির সময় জয় শাহ নীরব ছিলেন। অবশেষে মুম্বাইয়ে ইন্ডিয়ান বিজনেস লিডার অ্যাওয়ার্ডসের এক অনুষ্ঠানে তিনি বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন।
তিনি জানান, কয়েকটি দলের অংশগ্রহণ নিয়ে সংকট তৈরি হওয়ায় পুরো টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎ কীভাবে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছিল। তিনি দৃঢ়কণ্ঠে বলেন, কোনো দলই সংস্থার চেয়ে বড় নয়। বাংলাদেশ কিংবা পাকিস্তানের নাম সরাসরি উল্লেখ না করে আইসিসি সভাপতি বলেন, এবারের বিশ্বকাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে কোন দলগুলো অংশ নেবে এবং কীভাবে খেলা হবে তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে।
আইসিসির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কোনো দল সংস্থার চেয়ে বড় হতে পারে না এবং একটি দল কখনোই সংস্থা তৈরি করে না। বরং সব দলের সমন্বয়েই একটি সংস্থা গঠিত হয়। একই সঙ্গে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ব্যাপক সাফল্যের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
রেকর্ড ভিউয়ারশিপের কথা উল্লেখ করে জয় শাহ জানান, এই বিশ্বকাপ দর্শকসংখ্যার দিক থেকে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৭২ লাখ দর্শক খেলা উপভোগ করেছেন।
সহযোগী দেশগুলোর প্রশংসা করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে বিপদে ফেলেছিল, নেদারল্যান্ডস পাকিস্তানকে চাপে রেখেছিল, জিম্বাবুয়ে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে এবং নেপাল ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল ইংল্যান্ডকে। সহযোগী দেশগুলো পূর্ণ সদস্যদের বিপক্ষে অসাধারণ পারফর্ম করায় তিনি তাদের অভিনন্দন জানান।
এনএন/ ১৫ মার্চ ২০২৬







